উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে তুমান নদীর ওপর নির্মিত প্রথম সড়ক সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। ৭ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন বলেন, এই নতুন অবকাঠামোটি দুই দেশের পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আন্তঃসীমান্ত এই পরিবহন ব্যবস্থা বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন গতির সঞ্চার করবে।
সেতুটি ১৯৫৯ সালে কোরীয় যুদ্ধের পর নির্মিত বর্তমান রেল সেতু ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ’-এর পাশেই অবস্থিত। মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে আগে থেকেই বিমান ও রেল যোগাযোগ থাকলেও, সড়ক পথে চলাচলের জন্য এটিই প্রথম বড় অবকাঠামো। দীর্ঘ কয়েক বছরের আলোচনার পর ২০২৪ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরের সময় এই সেতু নির্মাণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী গত বছরের এপ্রিলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ২০২৪ সালে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পিয়ংইয়ং হাজার হাজার সেনা পাঠিয়ে সামরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। এই সড়ক সেতুটি দুই দেশের ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্বেরই একটি নতুন প্রতিফলন।
বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তের উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে রয়েছে রাশিয়ায় গ্যাস প্ল্যান্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৬ চীনা নাগরিকসহ ৭ জনের মৃত্যু, সমুদ্রে তুরস্কের প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তির বিমানবাহী রণতরি ‘মুগেম’ মোতায়েন এবং পর্তুগালে জনসমক্ষে মুখ ঢেকে রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি। এছাড়া ইউরোপে পূর্ণ সূর্যগ্রহণের ফলে দিনেই অন্ধকারে ডুবেছে স্পেন ও আইসল্যান্ড। অন্যদিকে, যুদ্ধের খরচ মেটাতে পর্নোগ্রাফিকে বৈধতা দেওয়ার পথে ইউক্রেন এবং মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র পেলেই রাশিয়ায় পাল্টা হামলার হুমকি দিয়েছেন জেলেনস্কি। এছাড়া পাড়ার মানুষের গোপন কথা বিক্রি করে দুই বাড়ির মালিক হওয়ার মতো অদ্ভুত ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।