মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংঘাতের রাজনীতি আর নয়, সমঝোতা ও সহনশীলতাই এখন দেশের মানুষের চাওয়া: রাষ্ট্রপতি রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রেক্ষাপট: বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক বুয়েটের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা তুমান নদীর ওপর নতুন সেতুতে সরাসরি সড়ক পথে যুক্ত হলো উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া যা জানা গেল: রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে জাপানকে ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ১৭ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে কৃষক কার্ড: এক লাখ কৃষক পাবেন প্রণোদনা দেশে চিকিৎসকের ঘাটতি ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ১২টি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬, আবেদনের শেষ সময় ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-৮ আসনে ভোটার এলাকা পরিবর্তন করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

দেশে চিকিৎসকের ঘাটতি ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম

চলতি ২০২৬ সালে দেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে বর্তমানে দেশে মোট চিকিৎসকের সংখ্যা ৩০ হাজার ৩১১ জন। এই হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে চিকিৎসকের ঘাটতি রয়েছে ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন। সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল তিনটায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

মন্ত্রী তার লিখিত জবাবে জানান, বর্তমানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি অনুমোদিত চিকিৎসকের পদ রয়েছে। এর বিপরীতে বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন এবং ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড অনুসরণ করা হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

২০২৬ সালের সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১ হাজার মানুষের জন্য ০.৫০ জন চিকিৎসক হিসেবে বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, দেশের সামগ্রিক চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয়।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ পূরণ এবং জনগণের চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসক সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে। মন্ত্রী জানান, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। সরকারের এই ধারাবাহিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শূন্য পদগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণ এবং নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের জন্য মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ