মানবাধিকার সুরক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বিদ্যমান আইনগুলো যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংসদের কার্যসূচি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিলগুলো সংসদে পেশ করেন। পরবর্তীতে বিস্তারিত যাচাই-বাছাই ও প্রতিবেদন তৈরির জন্য বিলগুলো সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। কমিটিগুলোকে আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ অধিবেশনে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। গুমের মতো অপরাধ প্রতিরোধ, দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার সুরক্ষার উদ্দেশ্যে এই বিলটি আনা হয়েছে। বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান দুটি বিল উত্থাপন করেছেন। এর মধ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ এর মাধ্যমে ২০০৯ সালের বিদ্যমান আইনটি রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটি পর্যালোচনার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
একই মন্ত্রী ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ সংসদে পেশ করেন। ১৮৮২ সালের ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট’ অধিকতর সংশোধনের লক্ষ্যে এই বিলটি আনা হয়েছে। এই বিলটিও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে, যাতে কমিটি বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে প্রতিবেদন প্রদান করতে পারে।