বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ: সমীক্ষা ও নকশার কাজ শেষ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় র‍্যাবের মতো বাহিনী প্রয়োজন: লুৎফুজ্জামান বাবর ভারত সফরে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তবে এজেন্ডা চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্ব দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তের হামলায় চাঁদপুরের যুবক নিহত হরমুজ প্রণালীতে বড় হামলা: মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের পাল্টা জবাব আইসিইউতে চিকিৎসাধীন মেঘমল্লার বসু, উন্নতির আশা চিকিৎসকদের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ভোলায় মেঘনার তীর ধসে বিজিবি সদস্যসহ নিখোঁজ দুই যুবক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পদত্যাগ

দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তের হামলায় চাঁদপুরের যুবক নিহত

প্রতিবেদকের নাম

দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্সটাউন এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে জামাল হোসেন (৩৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সিপাইকান্দি গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। গত বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুইন্সটাউনে অবস্থিত নিজের দোকানে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জামালের সঙ্গে থাকা তাঁর এক বন্ধুও গুরুতর আহত হয়েছেন, যাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে সংসারের সচ্ছলতা ফেরানোর আশায় ধারদেনা করে জামাল দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে তিনি একটি টিনশেডের দোকানে নিত্যপণ্যের ব্যবসা করতেন। তাঁর আয়ের ওপরই নির্ভর করত পুরো পরিবারের ভরণপোষণ। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মেজ জামাল স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় পরিচিতদের বরাত দিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে জামাল তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে দোকানে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত দোকানের ছাউনি কেটে ওপরে উঠে জামাল ও তাঁর বন্ধুর ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে মাথায় ও বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে জামাল ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

ছেলের অকাল মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ বাবা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘ছেলে তো মরলই, শেষবারের মতো লাশটা দেখতে চাই। নিজ হাতে দাফন-কাফন করতে পারলে কিছুটা হলেও বুকের কষ্ট কমত।’ এদিকে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁরা অবগত আছেন। জামালের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা ও দাফনের ক্ষেত্রে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গুরুতর আহত অবস্থায় আশপাশের লোকজন তাঁকে সেখানকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর মরদেহের অপেক্ষায় আছে পরিবারটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ছেলে হারানোর কষ্টের কথা কারে শোনামু। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, তাঁর লাশ দেশে আনতে বা দেশে আনার পর দাফন করতে যে সহযোগিতা দরকার, তা তাঁরা করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ