শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ: এটি নিপীড়নমূলক ভুবন তৈরির ঝুঁকি বাড়াবে মৌলভীবাজারে তরুণীর মৃত্যু: চিরকুটে লিখে গেলেন মানসিক কষ্টের কথা দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত: ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৫০০ হাসপাতালে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না, হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার সুইজারল্যান্ডে পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় ৫ জনের প্রাণহানি বঙ্গোপসাগরে গ্যাস উত্তোলনে কোনো অদৃশ্য বাধা ছিল না: সংসদে প্রধানমন্ত্রী গাড়ির লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সামরিক ইউনিট পরিদর্শনে ১০০ কেজি বারবেল তুলে ভাইরাল মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্ট

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ: সমীক্ষা ও নকশার কাজ শেষ

প্রতিবেদকের নাম

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোরে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হলেই প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তথ্য জানান।

রেলপথের আধুনিকায়ন ও কর্ডলাইন নির্মাণ

প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের পুরো রেলপথকে আধুনিক ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং টঙ্গী-আখাউড়া অংশের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে সরাসরি কুমিল্লা পর্যন্ত একটি কর্ডলাইন নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। নতুন এই কর্ডলাইনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। কর্ডলাইনটি নির্মিত হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী রেলপথের দূরত্ব উল্লেখযোগ্য হারে কমবে, যা ট্রেনের গড় গতি বাড়ানোর পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমিয়ে আনবে।

ইলেকট্রিক ট্রেন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে আধুনিক ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থার কারিগরি প্রস্তুতি ও নকশা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
  • দেশি বা বিদেশি উৎস থেকে অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।
  • প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চলাচল শুরু হবে, যা রেলওয়ের সামগ্রিক পরিবহন সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
  • সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে দেশের প্রধান এই অর্থনৈতিক করিডোরে যাতায়াত ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী হয়ে উঠবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ