রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চক্ষুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় শুধু চিকিৎসা নয়, দরকার সমন্বিত সচেতনতা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ট্রাম্প-এরদোগান ফোনালাপ: ইরান উত্তেজনা ও ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা ইরানের পরমাণু স্থাপনায় ট্রাম্পের সামরিক অভিযানের গুঞ্জন: বর্তমান পরিস্থিতি ট্রাম্পবাদ কি মার্কিন রাজনীতির বিভাজন ঘুচিয়ে পারবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ ও বাংলাদেশের বাণিজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি বিচার বিভাগের বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী অর্থনীতি গণতান্ত্রিক না হলে রাজনীতির গণতন্ত্র কার্যকর হয় না: অর্থমন্ত্রী বিগত সরকারের জিডিপি হিসাবে গরমিল, জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্বাচনের ফল বানচালের চেষ্টায় আদালতের দ্বারস্থ নেতানিয়াহুর দল ভৈরব নদের ভাঙনে বিলীন লোহাপট্টির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ: সমীক্ষা ও নকশার কাজ শেষ

প্রতিবেদকের নাম

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোরে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হলেই প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই তথ্য জানান।

রেলপথের আধুনিকায়ন ও কর্ডলাইন নির্মাণ

প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের পুরো রেলপথকে আধুনিক ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং টঙ্গী-আখাউড়া অংশের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে সরাসরি কুমিল্লা পর্যন্ত একটি কর্ডলাইন নির্মাণের প্রস্তাবও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। নতুন এই কর্ডলাইনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ নকশা তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। কর্ডলাইনটি নির্মিত হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী রেলপথের দূরত্ব উল্লেখযোগ্য হারে কমবে, যা ট্রেনের গড় গতি বাড়ানোর পাশাপাশি যাতায়াতের সময়ও কমিয়ে আনবে।

ইলেকট্রিক ট্রেন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে আধুনিক ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন ব্যবস্থার কারিগরি প্রস্তুতি ও নকশা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
  • দেশি বা বিদেশি উৎস থেকে অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।
  • প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চলাচল শুরু হবে, যা রেলওয়ের সামগ্রিক পরিবহন সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
  • সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে দেশের প্রধান এই অর্থনৈতিক করিডোরে যাতায়াত ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী হয়ে উঠবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ