সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান (অতিরিক্ত সচিব) বলেছেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং উৎপাদন বাড়াতে প্রতিটি ইঞ্চি জমিকে কাজে লাগাতে হবে। সকল পতিত জমিকে চাষাবাদের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এ ব্যাপারে সরকার ও বিভিন্ন কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
অনাবাদি ও পতিত জমিগুলো পরিষ্কার করে ফসল ফলানোর উপযোগী করে গড়ে তোলতে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সেই অনুযায়ী জৈব ও সুষম সার ব্যবহার বাড়াতে হবে। পতিত জমির ধরন অনুযায়ী কম খরচে ও অল্প সময়ে লাভজনক ফসল, যেমন ডালশস্য, তেলবীজ, শাকসবজি বা পুষ্টিকর ফলমূল চাষ বৃদ্ধি করতে হবে। কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শ নিয়ে উন্নত বীজ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, সরকারি সহায়তা এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে অনাবাদি জমিকে আবাদের উপযোগী করে তোলা সম্ভব।
তিনি রবি বার (২১জুন) সকালসিলেট নগরীর সুবিদবাজারস্থ পিটিআই সম্মেলন কক্ষে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত) কতৃক বার্ষিক কার্যক্রম মূল্যায়ন ও পুরষ্কার বিতরণ বিষয়ক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মোঃ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার মোঃ আকরাম হোসেনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় কি-নোট উপস্থাপন করেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ রকিব উদ্দিন।
কারিগরি সেশনে সভাপতিত্ব করেন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা শামসুদ্দিন আহমদ।
বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সিলেট এর উপ পরিচালক মোঃ শামসুজ্জামান, সুনামগঞ্জের উপ পরিচালক ওমর ফারুক, মৌলভীবাজারের উপ পরিচালক জালাল উদ্দিন, গোয়াইনঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার রায়হান পারভেজ রনি,বাহুবল উপজেলা উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃ শামীমুল হক,কৃষক শানু মিয়া।
কর্মশালায় কৃষি বিপণন, বিএডিসি,এসআরডিআই,ধান গবেষণা, কৃষি গবেষণা কর্মকর্তা, কৃষক -কৃষানী এবং স্হানীয় পর্যায়ের কৃষি উদ্দোক্তাগন অংশ গ্রহণ করেন। আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি শ্রেষ্ঠ কৃষি অফিসার, উপসহকারী কৃষি অফিসার, কৃষক ও কৃষাণীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন।