রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন

বিশ্ব বাবা দিবস আজ

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ঃ

আজ বিশ্ব বাবা দিবস। যে মানুষটি সন্তানের প্রথম ভরসা, প্রথম শিক্ষক, প্রথম নায়ক, তাকে সম্মান জানাতেই এই বিশেষ দিন। তবে দিনটি সবার জন্য একই আবেদন নিয়ে আসে না। কারো জন্য দিনটি, বাবার সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ। আবার অনেকের কাছে বাবা দিবস, বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়ার হাত তোলার একটি উপলক্ষ্য।

আজ বিশ্ব বাবা দিবস। যে মানুষটি সন্তানের প্রথম ভরসা, প্রথম শিক্ষক, প্রথম নায়ক, তাকে সম্মান জানাতেই এই বিশেষ দিন। তবে দিনটি সবার জন্য একই আবেদন নিয়ে আসে না। কারো জন্য দিনটি, বাবার সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ। আবার অনেকের কাছে বাবা দিবস, বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়ার হাত তোলার একটি উপলক্ষ্য।

এমন কিছু সম্পর্ক আছে, যেখানে মানুষটি সবসময় চোখের সামনে থাকে না। কিন্তু তার উপস্থিতি টের পাওয়া যায় জীবনের প্রতিটি ক্ষণে। যাদের অস্তিত্ব সচেতনভাবে হয়তো টেরই পাওয়া যায় না। কিন্তু মনের গভীরে তাদের নীরব উপস্থিতি, পৃথিবীটা করে তোলে অনেক বেশি নিরাপদ। যিনি আলোচনার কেন্দ্রে না থেকেও, সন্তানের চারপাশে গড়ে চলেন অদৃশ্য এক নিরাপত্তা বলয়। বাবা যে শুধু বাইরের পৃথিবীর দায়িত্বই নেন, তা নয়।

ঘরের মধ্যে প্রতিটি সম্পর্কের শক্ত ভিত্তিও থাকেন তিনি। যেখানে প্রতিদিনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো প্রতিনিয়ত লিখে চলে জীবন নামের এক অনন্য মহাকাব্য। বাবাহারা এক সন্তান বলেন, সবসময় বাবা নিজের ইচ্ছাগুলোকে পাশে সরিয়ে রেখে সামনে এগিয়ে রাখেন পরিবারের বাকি সবার স্বপ্নগুলোকে। সন্তানের পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ, আর স্বস্তির পেছনে থাকে তাঁর অবিরাম নীরব পরিশ্রম।কিন্তু সবার সুযোগ হয় না বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বাবা দিবস উদযাপনের। কেউ কেউ বাবাকে খুঁজে ফেরেন স্মৃতিতে। কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তোলেন দোয়ার দুটি হাত।

বাবা শুধু একটি সম্পর্ক নয়। একটি অনুভূতি। যে অনুভূতি সারাজীবন সঙ্গ দিয়ে চলে, ভরসার ছাতা মেলে ধোরে। পৃথিবীর সব বাবার প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে সনোরা স্মার্ট ডড নামে এক নারীর। ১৯০৯ সালের আগে ওয়াশিংটনে বাবা দিবস বলে কোনও বিশেষ দিন ছিল না। সে সময় স্থানীয় গির্জায় ডড মা দিবস পালনের কথা শোনেন। মা দিবস পালনের রীতি রয়েছে কিন্তু বাবা দিবস পালনের রীতি নেই জেনে তিনি ভীষণ অবাক হন।

তারপর তিনি বাবা দিবসের স্বীকৃতির জন্য সোচ্চার হয়ে ওঠেন। ডড তার বাবাকে অসম্ভব ভালোবাসতেন। মা ছিল না তার। মায়ের মৃত্যুর পর শত দুঃখ-কষ্টের মধ্যে থেকেও তাদের সাত ভাইবোনকে বড় করে তুলেছিলেন তাদের সিঙ্গেল বাবা। বাবার এই ত্যাগ দেখে ডডের মনে হলো, মা দিবসের এত আয়োজন হলে বাবা দিবস কেন বাদ থাকবে। বাবাকে সম্মান জানানোর জন্যও একটা দিন থাকা দরকার।

তারপর অনেক চেষ্টা করে দীর্ঘ এক বছরের সাধনায় স্থানীয় কমিউনিটিগুলোতে বাবা দিবস পালন করতে পারেন ডড। ১৯১০ সালের ১৯ জুন বিশ্বে প্রথমবারের মতো পালিত হয় বাবা দিবস।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ