ভোলার গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার পলাতক ৩ আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার ব্যারিস্টার কলোনি থেকে র্যাব-৮ ও র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে র্যাব-৮ এর ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মো: রওনক জাহান সরকার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, প্রধান আসামী মিতুর স্বামী সোহাগ ও তার শাশুড়ি কোহিনূর বেগম এবং ননদ মুক্তা আক্তার। তারা মামলার এজাহারনামীয় ১, ২ ও ৪ নম্বর আসামী।
র্যাব জানায়, গৃহবধূ মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় গেল ৫ জুন রাতে ভোলা সদর মডেল থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ৪ জনকে এজাহারনামীয় ও ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে এজাহার দায়ের করা হয়। ঘটনার পরপরই র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে র্যাব-৮ ও র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার ব্যারিস্টার কলোনি থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৮ ভোলা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর রওনক জাহান সরকার বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের ইপিজেড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি ভোলা সদর থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা চট্টগ্রাম থেকে আসামিদের নিয়ে আসার বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নিচ্ছেন। র্যাব সব সময় নারীর ওপর যেকোনো ধরনের নির্যাতন ও অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩ জুন দুপুরে ভোলা শহরের উকিলপাড়ার একটি ভাড়া বাসার পাঁচতলার ফ্ল্যাট থেকে সুমাইয়া আক্তার মিতুর মরদের উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মিতু ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. বশির আহমেদের মেয়ে।