বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরের মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে কার্গোডুবিতে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল পানিতে ভবিষ্যতে জনগণ আর রাজনীতিবিদদের সম্মান করবে না: জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শনে উচ্ছ্বসিত সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরত আনতে পঞ্চদশ সংশোধনীর আপিলের রায় কাল ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় পুরস্কার সম্মাননা প্রদান ছাতকে ইউটিউব দেখে আঙুর চাষে বাজিমাত প্রবাসফেরত তরুণের সফলতার গল্প পত্নীতলায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৩ মাদক ব্যবসায়িকে আটক করেছে পুলিশ প্রেসক্লাব যশোরের নির্বাচন দাবি, মেয়াদ শেষের আগেই, অন্যথায় সাংবাদিকদের কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ভাড়া বাসায় গোপন আস্তানা নারী ছিনতাইকারী চক্রের ১১ সদস্য আটক বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম

যুদ্ধবিরতি হলেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমেনি

ইনডেক্স নিউজ ডেস্ক ঃ

মধ্যপ্রাচ্যে আপাতত যুদ্ধবিরতি থাকলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে বড় ধরনের ক্ষতি হলেও, ভেঙে পড়েনি ইরান। বিশ্লেষকরা বলছেন, অঞ্চলটি এখন এক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে রয়েছে। যেখানে কূটনীতি, প্রতিরোধ ও পারমাণবিক ঝুঁকি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

মধ্যপ্রাচ্যে আপাতত যুদ্ধবিরতি থাকলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে বড় ধরনের ক্ষতি হলেও, ভেঙে পড়েনি ইরান। বিশ্লেষকরা বলছেন, অঞ্চলটি এখন এক ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে রয়েছে। যেখানে কূটনীতি, প্রতিরোধ ও পারমাণবিক ঝুঁকি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

টানা ৪০ দিনের হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, ইরানের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করলেও তাদের মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বা সামরিক হামলা, কোনোটিই তেহরানকে নত করতে পারেনি। বাধ্য হয়ে শেষ পর্যন্ত কূটনীতির পথেই ফিরতে হয়েছে ওয়াশিংটনকে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সংঘাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, বড় শক্তিগুলোকেও অনেক সময় পিছু হটতে হয়। আফগানিস্তান ও ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের সময়ও একই বিষয় দেখা গেছে।
ইতিহাস বলছে, বিংশ শতাব্দীর বহু যুদ্ধ সাম্রাজ্য ও রাষ্ট্রের পতন ঘটিয়েছে। তবে, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাত দেখাচ্ছে, কূটনীতি ও সমঝোতার পথ এখনও কার্যকর। মূল বিরোধ না মিটলেও আলোচনার মাধ্যমে অন্তত সাময়িক সমাধান সম্ভব হয়েছে।

যুদ্ধের ফল নির্ধারণে ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করার সক্ষমতাও বড় ভূমিকা রাখে, বলছেন বিশ্লেষকরা। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও শীর্ষ ব্যক্তিদের হারিয়েও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি তেহরান।

দীর্ঘমেয়াদি সামরিক প্রস্তুতি ও শক্তিশালী নিরাপত্তা কাঠামোও ইরানকে টিকে থাকতে সহায়তা করেছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সম্ভাব্য সংঘাতের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে দেশটি।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিরোধের ঢাল হলেও, সব সমস্যার সমাধান নয়। একইভাবে তথ্যযুদ্ধ ও এআই প্রচারণা গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা ইরানের মনোবল ভাঙতে পারেনি। আর যুদ্ধ শুরু করার চেয়ে তা থেকে বেরিয়ে আসাই বেশি কঠিন। আপস…

তবে, ইরান প্রথম ধাক্কা সামলাতে পারলেও মধ্যপ্রাচ্যে যে কোনো সময় নতুন সংঘাত শুরুর শঙ্কায় বিশ্লেষকরা। আর সেই সংঘাত হতে পারে আরও জটিল ও বিপজ্জনক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ