সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাগর-রুনি মামলার তদন্তে নতুন তথ্য: সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরও কমানোর পরিকল্পনা সরকারের: বিমানমন্ত্রী সাগর-রুনি মামলার তদন্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন উদ্যোগ ১২ বছর ধরে ছেলের অপেক্ষায় রৌশন আরা, গুমের শিকার যুবদল নেতার সন্ধানে মায়ের আকুতি নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকা পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে চলছে বিশেষ অভিযান গুমের মাস্টারমাইন্ডদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জামায়াত আমিরের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ: সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে তলব করল দুদক জাতীয় সংসদে পাসের অপেক্ষায় সম্পত্তি হস্তান্তর ও মানবাধিকার কমিশন বিল চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনদের জিম্মায় দিল পুলিশ ঢাকার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা নিষিদ্ধের পরিকল্পনা সরকারের

শহীদদের স্বপ্ন পূরণে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রতিবেদকের নাম

মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। গুম-খুনের শিকার হওয়া ব্যক্তি এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে মোট ৭৪ জন সদস্যকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নিজে ১০ জন পরিবারের সদস্যের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে যারা জীবন দিয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার লক্ষ্য ছিল একটি সুন্দর ও বৈষম্যহীন দেশ। জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আবেগপ্রবণ কণ্ঠে বলেন, এই মানুষগুলোর অনুপস্থিতির কারণেই আজ বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ একটি ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানটি আমাদের জন্য কিছুটা কষ্টের, কারণ যাদের আজ এখানে থাকার কথা ছিল, তারা আমাদের মাঝে নেই। তবে তাদের পরিবারের সদস্যদের সামনে দেখে তিনি নিজেও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বলে জানান।

সরকারপ্রধান বলেন, এই পরিবারগুলোর সমর্থন ও উৎসাহই আমাদের শক্তির বড় উৎস। তিনি বলেন, “আমি আশা করব, যতদিন পর্যন্ত এদেশের মানুষ আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেবে, আমরা ততদিন এই পরিবারগুলোর পাশে থাকব এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাব।” তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকারে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বা অরাজনৈতিক ব্যক্তি—সবারই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অবদান রয়েছে। সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সরকার সবসময় এই আত্মত্যাগকারী পরিবারগুলোর পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই আপনারাও আমাদের সহযোগিতা ও উৎসাহ দেবেন, যাতে শহীদসহ সকল গণতান্ত্রিক যোদ্ধা ও আত্মত্যাগকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে পারি।” তিনি আরও বলেন, যারা দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করা সরকারের দায়িত্ব। বর্তমান সরকার তাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকবে এবং তাদের অপূরণীয় ক্ষতির কথা মাথায় রেখে সবসময় তাদের সঙ্গে থাকার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বোচ্চ দিয়ে আমরা চেষ্টা করবো, যে আকাঙ্ক্ষা ১৯৭১ সালে শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা করেছিলেন, যে আকাঙ্ক্ষা দেশ স্বাধীনের পর থেকে বিভিন্ন সময় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে যারা হারিয়ে গিয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, শহীদ হয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, আজকে হয়ত কেউ কেউ বলতে পারে যে, সরকার এই নির্যাতিত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি কথাটা একটু ঘুরিয়ে অন্যভাবে বলতে চাই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি বলতে চাই, এই মানুষগুলো বা এই পরিবারগুলোর সহযোগিতা বা সমর্থন আছে বলেই সরকার পূর্ণ উদ্যোগে সেই শহীদ বা সেই আত্মত্যাগকারী যে মানুষগুলো-তাদের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করার জন্য উৎসাহ- উদ্দীপনা নিয়ে সরকার কাজ করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আপনাদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, সেই ক্ষতি হয়ত কোনভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারপরেও এতটুকু বলবো, আমাদের অবস্থান থেকে আমরা আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি, ইনশাআল্লাহ থাকবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ