বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘অ্যামেজিং ব্যাগ’ উপহার কার্যক্রমের মাধ্যমে হাট ইয়াই-এ ‘অ্যামেজিং থাইল্যান্ড পাসপোর্ট প্রিভিলেজেস’ চালু হলো ২০২৬ সালে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা ১৫ হাজার ডলারের মার্কিন ভিসা বন্ড তালিকায় নতুন ১২ দেশ সিরাজগঞ্জের দৃষ্টিনন্দন আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর স্থাপনা আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ চালু হচ্ছে BIWTC এর নতুন জাহাজ গন্তব্য হাতিয়া আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপ ফুটবলের, টুর্নামেন্ট-পূর্ব অস্থিরতার মাঝেও প্রস্তুত ফুটবল বিশ্ব বিশ্বকাপের আমেজ ছড়াতে ঢাকায় ফুটবল ফিয়েস্তা গরুর মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যে খাবার খাবেন না ঝিনাইদহে বটগাছের ডালের উপর রেস্টুরেন্ট-উৎসুক মানুষের ভিড় বাজারে এলো স্যামসাংয়ের নতুন তিন মডেলের চেস্ট ফ্রিজার

বিশ্বশান্তি ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদকের নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ।

বিশ্বের সকল শান্তিরক্ষীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। তাদের এই দায়িত্বশীল ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার মাধ্যমে নারী শান্তিরক্ষীরাও বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।

পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে। শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গঠনে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ