সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পানি নিষ্কাশনের খাল বন্ধ করায় জলাবদ্ধতা, বিপাকে এলাকাবাসি বিশ্বমানের উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে – উপপরিচালক মোঃ আব্দুর রফিক ফুলবাড়ী ব্র্যাক অফিসে হাঁসের বাচ্চা পালন প্রশিক্ষণ ও বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীতে মাদক ও কিশোর অপরাধকে লাল কার্ড প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীদের শপথ ফুলবাড়ীতে দুই দিনব্যাপী নেতৃত্ব উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত খুলনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও প্রতিরোধ কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা পর্যটন খাতের অগ্রগতির বার্তা নিয়ে টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের সুফি নাইটস আয়োজন জিয়াউর রহমানের কর্ম ও আদর্শ নিয়ে উঁচুমানের গবেষণা প্রয়োজন : মির্জা ফখরুল দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার ব্রাজিলের বিপক্ষে ১০ ‘ভিনদেশি’ নিয়ে মাঠে নেমেছিল মরক্কো!

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ঃ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় ঘোষণা করেন। ওইদিন রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে সেদিন আদালত বলেন, শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া স্বীকারোক্তি দেয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় বোঝা যায়, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছেন। আর স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন তার স্ত্রী স্বপ্না।

গত ১ জুন আলোচিত এ মামলায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরদিন ২ জুন এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ওইদিনই মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এছাড়া ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সবমিলিয়ে মাত্র ৪ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।

সবশেষ গত ৭ জুন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সেই সঙ্গে রায় ঘিরে ওইদিন আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা ঘর থেকে বের হয়। ওই সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। অন্যদিকে ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। পরে অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মাসহ অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

এরপর সেখানে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়। এছাড়া একটি বড় বালতির মধ্যে তার কাটা মাথাটি দেখতে পান তারা।পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তবে ঘটনার পর সোহেল জানালার গ্রিল কেটে পালাতে সক্ষম হলেও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় গত ২০ মে পল্লবী থানায় মামলা করেন রামিসার বাবা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ