বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে দুশ্চিন্তায় আর্জেন্টিনা। কারণ দলের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ এখনও খেলছেন ডান হাতের আঙুলের চোট নিয়ে। তবে চোট থাকলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক।
গত মৌসুমে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনালের ওয়ার্মআপের সময় ডান হাতের অনামিকা আঙুলে চিড় ধরেছিল মার্টিনেজের। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলেও বিশ্বকাপ মিস হওয়ার শঙ্কায় সেই পথে হাঁটেননি তিনি। বর্তমানে ফিজিওথেরাপিস্ট পাবলো কাপুচেত্তির তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
জর্ডানের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ের পর আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্টিনেজ বলেন, ‘আঙুলের ব্যথা আমাকে বেশ ভোগাচ্ছে। এখনও স্বাভাবিকভাবে অনুশীলন করতে পারছি না। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন নেই। আগামী ম্যাচে আমি স্প্লিন্ট ছাড়াই খেলার জন্য প্রস্তুত।
তিনি জানান, এই কঠিন সময়ে গোলকিপিং কোচ লুইস মার্টিন এবং সতীর্থ গোলরক্ষক জেরোনিমো রুলি ও হুয়ান মুসোর সহযোগিতা তাকে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে সাহায্য করেছে।
জর্ডানের বিপক্ষে জয় পেলেও একটি গোল হজম করায় কিছুটা আক্ষেপ রয়েছে মার্টিনেজের। সেই গোল তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার হারের স্মৃতি। মার্টিনেজ বলেন, ‘আমি আসলে মরে যেতে চেয়েছিলাম। ওই গোলটি হওয়ার সময় মনে হচ্ছিল যেন সৌদি আরবের সেই ম্যাচের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। আমার মনে হয় বলটি আমি আটকাতে পারতাম।
আগামী শুক্রবার (৩জুন) মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে কেপ ভার্দের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। তুলনামূলক কম পরিচিত প্রতিপক্ষ হলেও তাদের হালকাভাবে নিতে নারাজ আর্জেন্টিনার এই তারকা গোলরক্ষক। মার্টিনেজ বলেন, ‘আমরা তাদের সব ম্যাচ পর্যবেক্ষণ করছি। তারা বেশ শক্তিশালী, শারীরিক সক্ষমতায় দুর্দান্ত এবং রক্ষণভাগ খুব জমাট। এবারের বিশ্বকাপে অনেক অঘটন ঘটছে, তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।