বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে শ্রমিক নেতা কৃষ্ণ সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, গ্রেফতার ও বিচারের দাবি স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ যেন দেখার কেউ নেই- সংস্কারের অভাবে রাস্তার বেহাল দশা: জনদুর্ভোগ চরমে ঠাকুরগাঁওয়ে র‌্যাবের অভিযানে ১১৫ কেজির কষ্টি পাথরের বিষ্ণুমূর্তি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ গোদাগাড়ীকে মাদকমুক্ত বরতে একযোগে কাজ করার আহ্বান: রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি দেশের ভবিষ্যৎ ডিজিটাল কাঠামো তৈরিতে অবদান রাখায় সাইবার লিডারদের সম্মানিত করেছে ফিনিক্স সামিট ২০২৬ মাগুরা জেলা পরিষদের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১০৪ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা খুলনার লবণচরা ১১ বোতল মদ ও ৪০ পিচ ইয়াবা সহ ১জন গ্রেফতার যশোরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারীর মৃত্যু, চালক আহত নেইমারকে কেন নামাননি, জানালেন ব্রাজিল কোচ

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে

নিউজডেস্ক ঃ

মধ্য-উত্তর ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পাঁচ দিন পরও ধ্বংসস্তূপে চলছে উদ্ধার অভিযান। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত থাকলেও সময়ের সঙ্গে বাড়ছে প্রাণহানির সংখ্যা। সর্বশেষ সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৭১৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৪ জুন আঘাত হানা এই বিধ্বংসী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি বাসিন্দা। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

দুর্যোগ মোকাবিলায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ব্যাপক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভেনেজুয়েলা সরকার ও জাতিসংঘ যৌথভাবে ১০ হাজার মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যাগ (বডি ব্যাগ) সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।

জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা জানান, রোববার (২৮ জুন) ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।বর্তমানে ২৭টি দেশের দুই হাজারের বেশি উদ্ধারকর্মী এবং ১৬০টিরও বেশি প্রশিক্ষিত অনুসন্ধানী কুকুর ৪০টি দলে বিভক্ত হয়ে দিন-রাত উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে দেশের সাতটি রাজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে লা গুয়াইরা রাজ্য এবং রাজধানী কারাকাসের ডিস্ট্রিটো ক্যাপিটাল এলাকায়। সেখানে প্রায় আড়াই হাজার ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বড় একটি অংশ সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে জিয়ানলুকা রামপোলা বলেন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম এমন পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছে যেখানে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

এরই মধ্যে প্রতিকূল আবহাওয়া উদ্ধারকাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে। মূল ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০টি আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার (২৯ জুন) ভোরে অনুভূত ৫ দশমিক ২ মাত্রার কম্পনটি উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে, দুর্গত এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়ায় ধসে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারের কাজ আরও জটিল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ