সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রেক্ষাপট: ৬ মাসে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির অবসান হয়েছে: মাহদী আমিন রাজধানীর ডেমরায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও চারজন আহত ইরানের বিরুদ্ধে এককভাবে যুদ্ধের সক্ষমতা নেই ইসরায়েলের: আইআরজিসি কর্মকর্তা প্রেক্ষাপট: শোলাকিয়া ঈদগাহের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ মতবিনিময় সভা ভূমধ্যসাগরে ১১ জনের মৃত্যু: নিখোঁজ সুনামগঞ্জের পাঁচ যুবক বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাব: ৪ বিভাগে ভারি বর্ষণ ও সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত নরওয়েতে মেরু ভালুকের ঘুম ভাঙিয়ে সাড়ে ৬ লাখ টাকা জরিমানা শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারত সফরে যাবেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বৈধ মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র

ওয়াশিংটনে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগে হিমশিম খাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি

প্রতিবেদকের নাম

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ইউক্রেনের রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জন্য বড় ধরনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওলহা স্তেফানিশিনাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই পদটি শূন্য রয়েছে। জেলেনস্কি চেয়েছিলেন এমন কাউকে এই পদে বসাতে, যার প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী বা উপ-প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া স্ভিরিদেনকোকে রাষ্ট্রদূত হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু স্ভিরিদেনকো সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি।

পলিটিকোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্ভিরিদেনকোর পর আরও বেশ কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইউক্রেনের বিরোধী আইনপ্রণেতা ও সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী ইভানা ক্লিমপুশ-ৎসিনৎসাদজে এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যায় জানান, অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ওয়াশিংটনের মতো গুরুত্বপূর্ণ মিশনে কাজ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কর্মপরিবেশ ও স্বাধীনতার অভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। ফলে যোগ্য প্রার্থী খুঁজে পাওয়া জেলেনস্কি প্রশাসনের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনে একজন শক্তিশালী প্রতিনিধি ইউক্রেনের জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের আবহে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অস্ত্র সহায়তা পাওয়া, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং ভবিষ্যতে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে কার্যকর কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন। এই কূটনৈতিক শূন্যতা ইউক্রেনের জন্য বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

এদিকে, ইউক্রেনের বিরোধী আইনপ্রণেতা ইয়ারোস্লাভ ইউরচিশিনের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগের সম্ভাবনা ক্ষীণ। নির্বাচনের পর ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা পর্যবেক্ষণ করেই জেলেনস্কি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের এই সংকটময় মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনের কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জেলেনস্কি সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ