শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ আদালত চত্বরে বিশৃঙ্খলা: জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি পুলিশের ৬৭ জন পরিদর্শক পদোন্নতি পেয়ে এএসপি হলেন সীমান্তের ওপার থেকে গার্মেন্টসে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী: খুলনা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুলতে চাই ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই উচিত জবাব দেবে জনগণ লাইপজিগকে হারিয়ে জয়ের ধারায় ফিরল ম্যানচেস্টার সিটি দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের প্রাণহানি সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ভিনগ্রহের প্রাণীর খোঁজে নতুন রেডিও সংকেত পেলেন বিজ্ঞানীরা

ভারতে শেখ হাসিনার বর্তমান অবস্থান নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিবেদকের নাম

ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠিক কোন স্ট্যাটাসে বা কী প্রক্রিয়ায় সেখানে অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, শেখ হাসিনা বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তি এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার ইতোমধ্যে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাকে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত শেখ হাসিনাকে নিয়ে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে—এমন খবরের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ওই প্রতিবেদনে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন কি না বা তার প্রকৃত স্ট্যাটাস কী, তা বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। তাই ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানে না শেখ হাসিনা ভারতে কোন স্ট্যাটাসে আছেন, ফলে ভারতীয় আদালতের অনুমতির বিষয়টি ঠিক কোন প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছে, তা নিয়েও অস্পষ্টতা রয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর জানান, ভারতের মেঘালয়ে সালাহউদ্দিন আহমদের অবস্থান এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বর্তমান পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ২০১৫ সালে সালাহউদ্দিন আহমদকে বাংলাদেশ থেকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে শিলংয়ে তাকে পাওয়া যায়। সেই মামলায় খালাস পাওয়ার পরই তিনি দেশে ফিরে আসেন, যা শেখ হাসিনার বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনীয় নয়।

এদিকে, জুলাই আন্দোলনে ভূমিকার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান আমিনুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই মাসের ওই আন্দোলনে তাদের ভূমিকার কারণে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এসব অপরাধের দায় আসামিদের নিতে হবে এবং ট্রাইব্যুনাল থেকে তারা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ