শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কলকাতার কাশীপুরে এক মাস ধরে পানিহীন মুসলিম কলোনি, স্থানীয়দের অভিযোগ বিজেপির বিধায়কের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অপরাধ দমনের নির্দেশ আইজিপির: পুলিশ সদর দপ্তরে ত্রৈমাসিক সম্মেলন পিওকে ভারতের দখলে নেওয়া উচিত, যাদবপুরে মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৯৬ জন প্রেক্ষাপট: ভালো আইনজীবী হতে শুধু আইন পড়লেই হবে না, মামলার খুঁটিনাটিও জানতে হবে: চিফ প্রসিকিউটর প্রেক্ষাপট: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে ১,৮৫৫ পদে নিয়োগের ছাড়পত্রের মেয়াদ বাড়ল ২০২৭ পর্যন্ত নেপালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন অপু বিশ্বাস আল তাউনকে হারিয়ে জয়ের ধারায় আল নাসর, হাজার গোলের পথে রোনালদো খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য সংগ্রহই আমার প্রধান লক্ষ্য: খাদ্যমন্ত্রী শহীদদের স্বপ্ন পূরণে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নওগাঁর মান্দায় মেয়েদের প্রশিক্ষণ বরাদ্দের ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

প্রতিবেদকের নাম

নওগাঁর মান্দায় মেয়েশিক্ষার্থীদের বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের নামে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বিশেষ বরাদ্দের প্রায় ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে ভুয়া স্বাক্ষর ও বিল-ভাউচার তৈরির মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। কাগজপত্রে দুই দিনের প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে একদিনেই তা শেষ করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের নগদ ভাতার পরিবর্তে কেবল সামান্য নাস্তা ও স্যানিটারি প্যাড দেওয়া হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি থেকে ৬৪ জন শিক্ষার্থী ও চারজন প্রশিক্ষকের জন্য মোট ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৭৮ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাজেট অনুযায়ী, প্রতিটি শিক্ষার্থীর দৈনিক ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে দুই দিনে ৩ হাজার টাকা পাওয়ার কথা ছিল। একইভাবে চারজন প্রশিক্ষকের প্রত্যেকের দৈনিক ভাতা ৩ হাজার টাকা হিসেবে দুই দিনে মোট ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। অথচ বাস্তবে শিক্ষার্থীরা কোনো নগদ অর্থ পাননি এবং প্রশিক্ষকদেরও মাত্র এক দিনের ভাতা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গত ১৫ জুন অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণের নথিপত্রে ৬৪ শিক্ষার্থীর শতভাগ উপস্থিতি দেখানো হলেও বাস্তবে ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা পারভীন বেগম জানান, তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুপুরের খাবার ছাড়া কোনো ভাতা পাননি। বিদ্যামাধুরী বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভারতী রানীও নিশ্চিত করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের কোনো ভাতা না দিয়ে কেবল খাবারের প্যাকেট, স্যানিটারি প্যাড এবং যাতায়াত বাবদ ১ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. জয়নাল আবেদিন জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণটি ১৫ জুন মাত্র একদিন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি নিজেও এক দিনের ভাতা হিসেবে ৩ হাজার টাকা পেয়েছেন। চারজন প্রশিক্ষকের জন্য দুই দিনের মোট ২৪ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও তাদের মাত্র ১২ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও আখতার জাহান সাথী জানান, শিক্ষার্থীদের নগদ ভাতা না দিয়ে তাদের যাতায়াতের জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের অর্থ দেওয়া হয়েছে এবং বাকি বরাদ্দে স্যানিটারি প্যাড ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ