শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য: পরিবারের অভিযোগের মুখে স্বামী আটক তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ড শেষে কারাগারে বান্ধবী দিশা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম পরিবর্তন করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে পলাতকদের দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন মোহিত মালিক ফ্রান্সে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ: গ্রেপ্তার ৪৪৮ শিগগিরই জানতে পারবেন: ইরানকে ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের শর্টকাটে অর্থ উপার্জনে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

দুর্নীতির ১৫ মামলা থেকে খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

প্রতিবেদকের নাম

সরকারি বাড়ি বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা ১৫টি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এই রায় ঘোষণা করেন। মামলার রায় অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসসহ সংশ্লিষ্ট সব আসামিকেই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. শাহীনুর ইসলাম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং ফাঁসানোর উদ্দেশ্যেই মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ তাঁকে ও অন্যান্য অভিযুক্তদের খালাস দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব মামলা দায়ের করে। ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি ও শান্তিনগর এলাকায় পরিত্যক্ত ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্রে কারচুপি ও অনিয়ম করা হয়েছিল। তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে সরকারি বাড়িগুলো বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিলেন বলে দুদকের অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের দাবি, গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের দেওয়া উচ্চমূল্যের দর উপেক্ষা করে রাজউকের মাধ্যমে কম মূল্যের দরপত্রে বাড়িগুলো বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এতে সরকারের মোট ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।

এই ১৫টি মামলার প্রতিটিতে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছিল। এছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ব্যবসায়ী আহমেদ আকবর সোবহানকে দুটি করে মামলায় আসামি করা হয়। অন্যান্য আসামিদের মধ্যে ছিলেন এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আবদুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. শহীদ আলম, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরী।

বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে আদালত মোট ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সবশেষে শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত আজ এই রায় প্রদান করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দরপত্রে অনিয়ম করে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি-সংক্রান্ত ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের করা ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস খালাস পেয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রায়ে তাঁরাও প্রত্যেকে খালাস পেয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ