বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাজীপুরে বাবার মৃত্যু: পলাতক তরুণ আটক, স্থানীয়দের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৫ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে শিক্ষক থেকে শিক্ষার্থী: যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার অভিজ্ঞতায় মিঞা মহসিন ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ঢাকায় কার্যালয় খোলার প্রস্তাব জাপানের ব্যাংক গভর্নরকে প্রধানমন্ত্রীর পায়রায় গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর শক্তিশালী ডানপন্থি সরকার গঠনের ডাক নেতানিয়াহুর দেশ থেকে কবে বিদায় নেবে ভ্যাপসা গরম?

নতুন পে-স্কেল ও যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রতিবেদকের নাম

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পর সৃষ্ট মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি নিয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বেতন বাড়লে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বৃদ্ধির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবে বিষয়টি নিয়ে জনমনে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা কিছুটা অতিরঞ্জিত। তিনি ব্যাখ্যা করেন, দীর্ঘ সময় নতুন স্কেল না হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মীর বেতন ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তাই নতুন স্কেল বাস্তবায়িত হলে সবার বেতন রাতারাতি দ্বিগুণ হয়ে যাবে—এমন ধারণা সঠিক নয়।

জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন কাঠামো পরিবর্তনের ফলে সরকারি ব্যয়ের ওপর যে প্রভাব পড়বে, তা সামাল দেওয়ার মতো বাজেট সরকারের রয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে হিসাব করছেন নতুন স্কেলে বেতন কতটা বাড়বে, কিন্তু বাস্তবতা হলো অনেক সিনিয়র কর্মীর বেতন বর্তমান ইনক্রিমেন্টসহ নতুন স্কেলের প্রায় সমপর্যায়ে রয়েছে। ফলে মানুষের হাতে অতিরিক্ত টাকা আসার যে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা খুব বেশি প্রকট হওয়ার সুযোগ কম। তবে মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি একেবারে নেই, এমনটা তিনি মনে করেন না।

সংবাদ সম্মেলনে যুদ্ধবিমান কেনা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে বিমান বাহিনীর অবস্থা তুলনামূলকভাবে দুর্বল। তিনি বলেন, বর্তমানে বিমান বাহিনীর সবচেয়ে আধুনিক ফাইটার হিসেবে মিগ-২৯ থাকলেও সেগুলোর অপারেশনাল সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এছাড়া বাহিনীর মূল শক্তি হিসেবে ব্যবহৃত জে-৭ ও এফ-৭ বিমানগুলো মূলত মিগ-২১ এর আপগ্রেডেড সংস্করণ, যা বর্তমানে সেকেলে হয়ে পড়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতও তাদের পুরনো ফ্লিট থেকে সরে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আধুনিক মাল্টিরোল ফাইটার সংগ্রহের বিষয়ে তিনি জানান, সরকার বিভিন্ন দেশের অপশন যাচাই-বাছাই করছে। এক্ষেত্রে আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের প্রস্তাবগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তবে চীনের প্রস্তাবটি বাংলাদেশের জন্য অধিকতর সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক বলে মনে করছেন তিনি। জাহেদ উর রহমানের ভাষ্যমতে, অন্যান্য দেশের তুলনায় চীন থেকে এই যুদ্ধবিমান সংগ্রহের খরচ অনেক কম, যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা অর্ধেকেরও কম খরচে একই ধরনের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। চাকরির আরও তথ্য: যে কথাটা বলতে চাচ্ছি বেতন অনেক বেশি বেড়ে যাবে, মনে হচ্ছে যে, ১০০% যখন স্কেলের উন্নতি হয়ে যাবে, তখন তার বেতন ডাবল হয়ে যাচ্ছে কথাটা কিন্তু এই রকম না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যুদ্ধবিমান কেনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয় দুর্বল অবস্থা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্ভবত, যদি আমি সামরিক এক্সপার্ট নই, কিছু খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা একটা জিনিস হয়তবা অনেকে মিস করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ