শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে সৌরবিদ্যুৎ নির্ভর সবুজ ক্যাম্পাস করার প্রস্তাব ছাত্রদলের জন্মের পরই মিলবে একক পরিচয়পত্র, আসছে ‘এক-আইডি’ ব্যবস্থা বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড ও হয়রানি বন্ধে পুলিশকে রাষ্ট্রপতির কড়া নির্দেশনা দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রীর মার্কিন হামলায় ইরানের তিন সামরিক পাইলট নিহত প্রকৌশলীদের উদ্ভাবনী কাজের স্বীকৃতি দিতে লাফার্জহোলসিমের নতুন পুরস্কার কার্যক্রম তিন বছরে বন্ধ চার শতাধিক পোশাক কারখানা, তালিকা তৈরির কাজ চলছে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা: শান্তিপূর্ণ আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশে হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৪৪ মার্কিন মুদ্রায় ট্রাম্পের প্রতিকৃতি: ১০০ বছর পর বিরল নজির

বাংলাদেশ থেকে পালানো সন্ত্রাসীরা ভারতে আশ্রয় পাবে না বলে আশা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

প্রতিবেদকের নাম

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন ভারতের ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে আমরা যেমন ঢাকায় আশ্রয় দেব না, তেমনি বাংলাদেশ থেকে পালানো কোনো সন্ত্রাসী যেন দিল্লি বা ভারতের কোনো সার্বভৌম ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়—এটিই আমাদের প্রত্যাশা।

সম্প্রতি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট একটি কনফারেন্স সেখানকার প্রশাসনের উদ্যোগে বাতিল হওয়ার ঘটনাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি বজায় থাকলে দুই দেশের মধ্যে সদিচ্ছা তৈরির পথ আরও সুগম হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির জানান, এখনো সফরের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে উপযুক্ত সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) বৈঠকের আগে সফরটির সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। ৫ আগস্টের ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে আলোচনা স্থবির হয়ে গিয়েছিল কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তারিখ নির্ধারণ না হওয়া মানেই আলোচনা থেমে যাওয়া নয়; বরং দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলমান রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটন ও বেইজিং—উভয়ের সঙ্গেই বাংলাদেশের সুসম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী এবং দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে তিনি জানান, বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও বাইরের রুটগুলোর একটি এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বড় এয়ারক্রাফট বহর তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বাংলাদেশের ৭০ থেকে ৮০টি বা তারও বেশি উড়োজাহাজের প্রয়োজন হবে। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, তাদের বহরে ১৫০টিরও বেশি উড়োজাহাজ রয়েছে। আমাদের বর্তমান চাহিদা হয়তো এত বেশি নয়, তবে এভিয়েশন খাতের সক্ষমতা বাড়াতে বোয়িং বা এয়ারবাস কেনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত কোনো চাপের মুখে নেওয়া হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির স্পষ্ট করেন যে, এটি কোনো চাপের বিষয় নয়। বরং দেশের এভিয়েশন খাতের চাহিদা পূরণ, যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা এবং নতুন রুট চালু করার লক্ষ্যেই এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রয়োজন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই আলোচনার মধ্যেই ৫ আগস্টের মতো একটি ঘটনা ঘটে, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হুমায়ুন কবির বলেন, এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হতে হলে বাংলাদেশকে আরও বেশি রুটে সেবা দিতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিষয়টি বাংলাদেশ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একইভাবে বেইজিংয়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ