জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সফল অংশগ্রহণ এবং গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতার জন্য তাদের আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অভিনন্দন প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অভিনন্দন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তার ভাষণ প্রদান করেন। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে, যা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় এই সফরটি অনন্য এক ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকল। একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করার নজির সৃষ্টি হলো। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট ১১তম বিশেষ অধিবেশনে এবং মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর ৪৮তম অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সামনে বক্তব্য রেখেছিলেন।
চার দিনের এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও উচ্চপর্যায়ের সভায় সরব ছিলেন। সাধারণ পরিষদের ভাষণের পাশাপাশি তিনি সাতটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেন। এছাড়া সফরকালে ১১টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই বর্ণাঢ্য সফরের সামগ্রিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ মন্ত্রিসভা তাকে এবং তার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছে।