সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীকে লক্ষ্য করে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা একটি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। যেভাবে পশ্চিমাদের ফাঁকি দিয়ে অস্ত্রভাণ্ডার সমৃদ্ধ করছে ইরান।
সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে, ড্রোনটি পবিত্র নগরীতে পৌঁছানোর আগেই মাঝপথে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সৌদি জোট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিশ্চিত করেছে যে, সন্ত্রাসী হুতি মিলিশিয়াদের ছোড়া এই ড্রোনটি সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। ইসরায়েলের নির্বাচনে ঝুলে গেল সরকার গঠন, অনিশ্চয়তায় নেতানিয়াহু। বসনিয়ায় সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ইতালির ৪ সেনা নিহত।
মক্কা এলাকায় এই হামলার প্রচেষ্টার বিষয়ে হুতি বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, বিমানবন্দর এবং জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়েছে হুতি বিদ্রোহীরা। ইরানে হামলার প্রস্তুতি জোরালো, ইসরায়েলে মার্কিন বিমানের বহর।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় দুই বাংলাদেশিসহ মোট ১৩ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ২০২২ সালে দুই পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি সম্প্রতি ভেঙে পড়ার পর থেকে ইয়েমেন পরিস্থিতি আবারও চরম উত্তপ্ত ও অস্থির হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও আরব নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান প্রেক্ষাপটে হুতিদের এসব হামলা নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুতিরা ৬টি পৃথক হামলার দাবিও করেছিল। তবে সর্বশেষ মক্কা অভিমুখে চালানো এই ড্রোনটি আকাশেই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে সৌদি জোটের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় ৬ হামলার দাবি হুতিদের। ভারতের উত্তরাখণ্ডে ৬ আরোহী নিয়ে হেলিকপ্টার নিখোঁজ।