সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতে অস্ট্রেলিয়ার ২ নারী ক্রিকেটারকে নারী সুরক্ষা সংক্রান্ত অভিযোগ, আটক ১ সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি নির্বাচিত বিএনপির এলিজা জামান নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন গ্যাসের খনি আবিষ্কার দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকায় দম্পতিদের মধ্যে যে ৫ পরিবর্তন আসে ডেঙ্গুতে একদিনে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৭০ জন জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির দক্ষিণ গফরগাঁও বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন বিক্রয়ে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য আন্দোলনের নামে সহিংসতাকারীদের উদ্দেশ্য ভিন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ও ফ্লোরিডায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে নিহত ৯

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসিতে পাশের হার কমে ৪৫.০৬ শতাংশ

প্রতিবেদকের নাম

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাশের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন। করোনা মহামারিকালে ২০২০ সালে অটোপাসের পর এবারই পাশের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

বোর্ডের অধীনে থাকা আটটি জেলার ৭৪৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এবার ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফলাফলে দেখা যায়, ছাত্রদের পাশের হার ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে; এ বছর মোট ৪ হাজার ৫২০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ৫৫৫ জন ছাত্রী এবং ১ হাজার ৯৬৫ জন ছাত্র। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এগিয়ে মেয়েরা।

পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নিয়ন্ত্রক জানান, পরীক্ষা চলাকালীন অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এ বছর মাত্র ৯টি কলেজ থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে, বিপরীতে ৩৯টি কলেজের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। আর ৩৯টি কলেজের কেউ পাশই করেনি।

গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২০ সালে শতভাগ পাশের পর ২০২১ সালে ৯৭ দশমিক ২৯, ২০২২ সালে ৮১ দশমিক ৬০, ২০২৩ সালে ৭৮ দশমিক ৪৬, ২০২৪ সালে ৮১ দশমিক ২৪ এবং ২০২৫ সালে ৫৯ দশমিক ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল। অধ্যাপক ইফফাত জেরীন বলেন, শিক্ষার্থীরা খাতায় যে ধরনের উত্তর লিখেছে, সে অনুযায়ী নম্বর দেওয়া হয়েছে; কোনো বাড়তি নম্বর প্রদানের সুযোগ ছিল না, যার প্রতিফলন দেখা গেছে এই ফলাফলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ