শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য: পরিবারের অভিযোগের মুখে স্বামী আটক তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ড শেষে কারাগারে বান্ধবী দিশা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম পরিবর্তন করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে পলাতকদের দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন মোহিত মালিক ফ্রান্সে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ: গ্রেপ্তার ৪৪৮ শিগগিরই জানতে পারবেন: ইরানকে ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের শর্টকাটে অর্থ উপার্জনে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

হরমুজের কাছে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

প্রতিবেদকের নাম

হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী অঞ্চলে নিজেদের নৌবাহিনীর জলদস্যুবিরোধী ইউনিটের কার্যক্রমের পরিধি ও নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ দল মোতায়েন করা হবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, চেওংহে নামের জলদস্যুবিরোধী ইউনিটে নতুন করে আরও ৭৫ জন সদস্য যুক্ত করা হবে। এতে ইউনিটটির মোট সদস্যসংখ্যা বেড়ে ৩৯৫ জনে দাঁড়াবে। ২০০৯ সাল থেকে কর্মরত এই ইউনিটটি মূলত সোমালিয়ার এডেন উপসাগরে জলদস্যু দমনের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে আসছে। প্রতি বছর পার্লামেন্টের অনুমোদনের ভিত্তিতেই এদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চেওংহে নামের জলদস্যুবিরোধী ইউনিটে আরও ৭৫ জন সদস্য যুক্ত করা হবে।

পরিকল্পিত সংশোধিত প্রস্তাব অনুসারে, ইউনিটটির কার্যপরিধি ওমানের দুকম বন্দরের দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে, যা হরমুজ প্রণালি থেকে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার বা ৪০৩ দশমিক ৮ মাইল দূরত্বে অবস্থিত। কেবিএস জানায়, ইউনিটটিকে আরও শক্তিশালী করতে এতে পি-৮এ পোসেইডন সামুদ্রিক টহল বিমান যুক্ত করা হবে। এছাড়া সমুদ্রের মাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করার চালকবিহীন সরঞ্জাম এবং বিস্ফোরক অপসারণে দক্ষ একটি বিশেষ দলও পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে সিউলের।

বর্তমানে এই সিদ্ধান্তটি কার্যকর করার আগে মন্ত্রিসভার পর্যালোচনা এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এরপর প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জাতীয় পরিষদে পাঠানো হবে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সংঘাতের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে হরমুজ প্রণালি। এই উত্তেজনার মধ্যেই সিউল তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে যাচ্ছে।

তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং শুরু থেকেই এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনোভাবেই অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ সংঘাত বা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার মতো কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। সামরিক সদস্য মোতায়েনের সম্ভাবনা কয়েক মাস ধরে পর্যালোচনা করলেও যুদ্ধের সংঘাত এড়িয়ে চলাই দেশটির মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ