শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের আগে বিচারের দাবি হাসনাত আবদুল্লাহর ৭ নভেম্বরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধার গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি এনসিপি-র ঢাকায় গ্রামপুলিশ মহাসমাবেশে আসার পথে অসুস্থ হয়ে দুই সদস্যের মৃত্যু এআই যুগে সফটওয়্যারের কোয়ালিটি নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ ব্যাংক এশিয়ায় কল সেন্টার ম্যানেজার পদে নিয়োগ রাষ্ট্রপতি: ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি অর্জন সম্ভব সিলেট টেস্টে হৃদয়ের অপরাজিত ২৪২ রানের ইনিংসে যত রেকর্ড হৃদয়ের রেকর্ড ২৪২ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে লিড পেল বাংলাদেশ

অনির্দিষ্টকালের জন্য হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদকের নাম

ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক জটিলতা ও বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণ দেখিয়ে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত শনিবার রাতে ভারতীয় রপ্তানিকারক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিকাশ চন্দ্র মন্ডল স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি বাংলাদেশের বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনকে জানানো হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে রোববার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে।

বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন মন্ডল জানান, ভারতের হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটির যৌথ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ আগস্ট থেকে এই অচলাবস্থা শুরু হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য স্থলবন্দরের তুলনায় হিলি বন্দর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে, যার ফলে রপ্তানি বাণিজ্যে তারা পিছিয়ে পড়ছে। এই সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ভারতীয় পক্ষ। শাহিনুর ইসলাম আরও বলেন, এটি তাদের নিজস্ব প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হলেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ওপর। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য তিনি আহ্বান জানান।

হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বাংলাদেশি আমদানিকারকরা। আমদানিকারক রেজা আহমেদ বিপুল জানান, ওপারে অনেক পচনশীল পণ্য ট্রাকবোঝাই অবস্থায় আটকে আছে। সময়মতো এসব পণ্য বন্দরে প্রবেশ করতে না পারলে সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে এলসির মাধ্যমে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে, ফলে ব্যবসায়ীরা এখন চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এছাড়া বন্দরের ওপর নির্ভরশীল শত শত শ্রমিকও কর্মহীন হয়ে পড়ার শঙ্কায় রয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদী হলে দেশের বাজারেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

তবে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। চেকপোস্টের ওসি মো. জাকারিয়া জানিয়েছেন, বৈধ পাসপোর্টধারী যাত্রীদের পারাপার আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাতায়াতের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যদিও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী সংখ্যা কিছুটা কম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ