বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বায়ত্তশাসন হারিয়ে অধিদপ্তর হচ্ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন নির্বাচনের পর ইরানে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী-ইউপিডিএফ গোলাগুলি, নিরাপদে সরলেন পর্যটকরা ঢাকার বাস টার্মিনাল স্থানান্তর: সুরাহা নাকি নতুন সংকট? মোংলায় পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজনীতিতে পরিবেশ না থাকায় নিকৃষ্টরা এমপি-মন্ত্রী হচ্ছেন: স্পিকার মাধবদীতে ডাইং কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, দগ্ধ পাঁচ শ্রমিক সাজেকে অবরোধ ঘিরে গোলাগুলি: বিপাকে পর্যটকবাহী গাড়িবহর ইরান সীমান্তে ডজনখানেক ইসরাইলি যুদ্ধবিমান, নেপথ্যে শক্তি প্রদর্শন নাটোরে শিয়ালের উপদ্রব: এক ঘণ্টায় আহত ১১ জন

নির্বাচনের পর ইরানে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও

প্রতিবেদকের নাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল উভয় দেশেই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন সামনে। ইসরাইলে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে চলছে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ডামাডোল। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন কোনো হামলা না চালানোর বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থানে রয়েছেন। তবে নির্বাচনের পরবর্তী সময়ের জন্য দুই দেশই ইরানে তীব্র সামরিক অভিযানের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। সম্প্রতি ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে বিমান মহড়াসহ এই স্বল্পমেয়াদি কিন্তু কঠোর অভিযানের কৌশল অনুশীলন করেছে উভয় দেশের সামরিক বাহিনী।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করে সম্ভাব্য এই হামলার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেছেন। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার এই অভিযানের প্রধান টার্গেট। কর্মকর্তাদের একটি অংশের ধারণা, এ ধরনের বড় আক্রমণ ইরানের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করে তুলবে এবং আট মাসের সংঘাতের পর দেশটিকে কূটনৈতিক সমঝোতায় আসতে বাধ্য করবে।

তবে এই অভিযানের সফলতা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় রয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চলতি বছরে বেশ কয়েকবার শেষ মুহূর্তে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা আটকে দিয়েছিলেন, তাই এবারও তিনি চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে। রাজনৈতিক জটিলতার কথা বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ঝুঁকি এড়াতে ট্রাম্প ভোটগ্রহণের আগে বড় কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে তেহরান জানিয়েছে, নতুন কোনো হামলা হলে তারা কেবল বাণিজ্যিক জাহাজ বা জ্বালানি অবকাঠামোতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ইরানের মধ্যস্থতাকারীদের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মাদি স্পষ্ট করেছেন, ওয়াশিংটন ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান শেষ করতে পারবে এমন ভাবনা কেবলই কল্পনা। তেহরানের বিশ্লেষকদের মতে, এবার তারা ডেটা সেন্টার ও সমুদ্রের তলদেশের ইন্টারনেট কেবল লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ চালাবে। এমনকি পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানা হলে ইরান সৌদি আরবের তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়ে তেলের বাজার অস্থিতিশীল করে তুলবে।

আগামী নভেম্বরের শুরুর দিকে তিনটি বিমানবাহী রণতরী, হাজার হাজার মেরিন সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন শক্তির মহড়া পূর্ণতা পাবে। এদিকে ২৭শে অক্টোবর ইসরাইলের নির্বাচন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিস্থিতিকে বেশ জটিল করে তুলেছে। তবে হোয়াইট হাউস বারবার জানিয়েছে, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সেজন্য সব ধরনের বিকল্প পথ খোলা রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ