এবারের বিশ্বকাপরে অন্যতম হাইভোল্টেজ ম্যাচ বলা হচ্ছিল স্পেন আর পর্তুগাল ম্যাচকে। মাঠের খেলায়ও সেই ঝাঁঝ দেখা গেল। জমজমাট লড়াইয়ে জমে উঠল ম্যাচ। সেই লড়াই শেষে অবশ্য শেষ হাসি হেসেছে স্পেন। শেষ মুহূর্তে বদলি নামা মিকেল মেরিনোর গোলে পর্তুগালকে হারিয়ে ১৬ বছর পর কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটল স্পেন।
পর্তুগালকে হারানোর এই ম্যাচে নতুন রেকর্ডও গড়েছে স্পেন। টানা ছয় ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোল করতে না দিয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ধারাবাহিক ক্লিনশিটের রেকর্ড এখন তাদের দখলে। একই সঙ্গে গোলরক্ষক উনাই সিমনের গোল না খাওয়ার ধারাও পৌঁছেছে ৬০৯ মিনিটে।
এর আগে এই রেকর্ড ছিল ইতালি ও সুইজারল্যান্ডের। ১৯৯০ বিশ্বকাপে ইতালি এবং ২০০৬ থেকে ২০১০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত সুইজারল্যান্ড টানা পাঁচ ম্যাচে গোল হজম করেনি। সেই রেকর্ড পেছনে ফেলে এককভাবে শীর্ষে উঠল স্পেন।
স্পেনের এই রক্ষণযাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে মরক্কোর বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচ থেকে। চলতি বিশ্বকাপেও কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর টানা চার ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেয়নি তারা।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ ষোলোতে ৩-০ গোলের জয়ের সময়ই সিমন ভেঙে দেন আগের রেকর্ড। ১৯৯০ বিশ্বকাপে ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গার ৫১৭ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ড ছিল এতদিন।
সিমনের দুর্দান্ত ধারার শুরু হয়েছিল কাতার বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ থেকে। এরপর বিশ্বকাপের মঞ্চে আর কোনো প্রতিপক্ষ তাকে পরাস্ত করে জাল খুঁজে পায়নি। স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ আর সিমনের অসাধারণ পারফরম্যান্সই তৈরি করেছে এই অনন্য কীর্তি।