শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চলতি অর্থবছরেই সিটি করপোরেশনসহ ৫টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সরকারের ছয় মাসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়েছে: রুহুল কবির রিজভী স্থল নিম্নচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত আফগানিস্তানের বাদাখশানে বিস্ফোরণে মেয়র নিহত: দুই সপ্তাহে দ্বিতীয় উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার প্রাণহানি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের গুরুত্ব ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির কৌশল সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিস্ফোরণ: নিহত ৩, আহত ১০ বাংলাদেশ-সৌদি সরাসরি ফ্লাইট বাড়ছে ৮৪টি, কার্যকর হবে ৫ মার্চ থেকে প্রতারণার অভিযোগে সেলেনা গোমেজের স্টার্টআপ ‘ওয়ান্ডারমাইন্ড’-এর বিরুদ্ধে মামলা আগামী সপ্তাহে নয়াদিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিচেল স্টার্কের সঙ্গে তর্কে জড়ালেন মিরাজ, ধারাভাষ্যকার পন্টিংয়ের সমর্থন

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিল-স্বাক্ষর জালিয়াতি: ৬ জনের সাত দিনের রিমান্ড

প্রতিবেদকের নাম

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম, পরিচয়, সিল, স্বাক্ষর ও অফিসিয়াল লেটারহেড নকল করে ভুয়া নথি তৈরির অভিযোগে গ্রেপ্তার ছয়জনকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে, শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তা মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে নেওয়া ব্যক্তিরা হলেন ফারুক হোসেন, সাকিব খান, মাসুম মুনসি, মীর তৌহিদুল ইসলাম, বকুল মন্ডল ও রফিকুল ইসলাম।

ঘটনার সূত্রপাত হয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের দপ্তরে পাঠানো একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে। ওই দপ্তরে আসা একটি খামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছিল। খামটি খোলার পর ভেতরে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা, মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সরকারের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তির নাম ও স্বাক্ষরসংবলিত একাধিক নথি পাওয়া যায়। এসব নথির সত্যতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে বিষয়টি তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুকৌশলে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সিল, স্বাক্ষর ও অফিসিয়াল লেটারহেড নকল করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে আসছিল। চক্রটি এসব জাল নথি ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এই জালিয়াতির ঘটনায় গত ৫ আগস্ট ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক রায়হানুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে পুলিশ মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ