মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২০২৭ সালের হজ: আবাসন ব্যবস্থাপনায় নতুন নিয়ম ও মানদণ্ড ঘোষণা সৌদি আরবের প্রেক্ষাপট: আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সন্তুষ্টির বিষয়ে জনগণ বলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন প্রশাসনের ২৭৭ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ক্রাউন প্রিন্স সালমান ১২ মাসে ২৩ কেজি ওজন কমালেন নেহা ধুপিয়া: মায়েদের জন্য দিলেন বিশেষ বার্তা ঝিনাইদহের মহেশপুরে তিন মাস কাদায় আটকে থাকা চার মহিষ উদ্ধার করল প্রশাসন গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪০৯ প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে একযোগে বদলি প্রেক্ষাপট: সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে: প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘের আল-কায়েদা বিষয়ক প্রতিবেদন অনুমাননির্ভর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের আল-কায়েদা বিষয়ক প্রতিবেদন অনুমাননির্ভর, গুরুত্ব দিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বসুন্ধরায় গাড়ি পোড়ানোর মামলায় সাবেক মেজর সাদিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন খারিজ

প্রতিবেদকের নাম
রাজধানীর বসুন্ধরায় গাড়ি পোড়ানোর মামলায় কারাগারে থাকা সাবেক মেজর সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় গাড়ি পোড়ানোর একটি মামলায় সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর পুলিশের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়। সাদিকুলের আইনজীবী এইচ এম আল-আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী আল-আমিন দাবি করেছেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে বর্তমানে আর কোনো মামলা বিচারাধীন নেই। তাই কারামুক্তিতে কোনো আইনি বাধা থাকার কথা নয় এবং তিনি দ্রুত মুক্তি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রাতে ভাটারা থানার বিটুমিন গেটের সামনে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তির প্রাইভেট কারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই সময় আওয়ামী লীগের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গত ৭ আগস্ট সাদিকুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। গত সোমবার আসামির উপস্থিতিতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিকালে সাদিকুলের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, ঘটনার সময় তার মক্কেল কারাগারে ছিলেন, তাহলে তিনি কীভাবে বাইরে গাড়ি পোড়ানোর নির্দেশ দিতে পারেন? এ প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ভাটারা থানার ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা তলব করেছিলেন।

রোববার আদালতে জমা দেওয়া পুলিশের লিখিত ব্যাখ্যায় দাবি করা হয়, সেনাবাহিনীতে থাকাকালীন সাদিকুল ২০২৫ সালের ৩ থেকে ৮ জুলাই বসুন্ধরার কেবি কনভেনশন হলে গোপন সভা করেছিলেন। সেখানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। পুলিশ আরও অভিযোগ করে, সাদিকুল ‘প্রধান প্রশিক্ষক’ হিসেবে রূপগঞ্জ, কাঁটাবন, মিরপুর ডিওএইচএস, উত্তরা ও প্রিয়াংকা সিটিতে স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনসহ গোপন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছিলেন। পুলিশের দাবি, এসব কর্মশালা থেকেই শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর লক্ষ্যে অস্থিতিশীলতা তৈরির পরিকল্পনা ও অর্থায়ন করা হয়।

তবে পুলিশের এই ব্যাখ্যা পর্যালোচনার পর আদালত সাদিকুল হককে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনটি নামঞ্জুর করেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর সামরিক আদালত সাদিকুলকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ভাটারা থানার অপর একটি সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতায় তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন।

গাড়ি পোড়ানো এই ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জ্যোতির্ময় মন্ডল বাদী হয়ে মামলা করেন।

পুলিশের লিখিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় ২০২৫ সালের ৩ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশের কেবি কনভেনশন হলে গোপন সভা করেন সাদিকুল।

এ ঘটনায় গত বছরের ১৩ জুলাই ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়, যাতে তদন্তে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় সাদিকুলকে আসামি করা হয়।

চাঁদ আলীর কাছে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চান।

দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি এবং দল দুটির কার্যক্রম গতিশীল করতে ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ