যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন থ্যাংকসগিভিং ছুটির মৌসুমে আকাশপথে ভ্রমণের প্রবণতায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিমান ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বহু যাত্রী তাদের ভ্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছেন। আগামী ২৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে থ্যাংকসগিভিং পালিত হবে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সিবিএস নিউজ এমনটাই জানিয়েছে। বিমান ছিনতাইয়ের হুমকি, যাত্রীর বার্তায় মাঝপথে ফিরল ফ্লাইট।
বিমান চলাচল নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিরিয়ামের তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের আগস্ট মাস পর্যন্ত থ্যাংকসগিভিং ছুটির টিকিট ভাড়া গড়ে ৩১ শতাংশ বেশি ছিল। ভাড়ার এই ঊর্ধ্বগতি সরাসরি প্রভাব ফেলেছে টিকিটের বুকিংয়ের ওপর। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছুটির মৌসুমের জন্য যাত্রীদের বুকিং আগের বছরের চেয়ে ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। সাধারণত বছরের ব্যস্ততম ভ্রমণসময়ের একটি এই ছুটিতে এবার বিমানযাত্রার বুকিং কমেছে।
নির্দিষ্ট কিছু শহরে এই প্রভাব আরও বেশি প্রকট। এর মধ্যে নিউয়ার্কে বুকিং ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ, সিয়াটলে ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ এবং মায়ামিতে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া ডালাস, ডেনভার এবং সান ফ্রান্সিসকোর মতো শহরগুলোতেও বুকিং কমেছে যথাক্রমে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ, ১১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ১১ দশমিক ৭ শতাংশ।
বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালন ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়াকে এই ভাড়ার মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে জ্বালানির উচ্চমূল্য বিমান পরিবহণ খাতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। ইউনাটেড এয়ারলাইনসের প্রধান নির্বাহী স্কট কিরবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে উড়োজাহাজ পরিচালনা করা আগের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের।
জ্বালানি ব্যয়ের পাশাপাশি পাইলট ও বিমানকর্মীদের নতুন শ্রমচুক্তির আওতায় বেতন বৃদ্ধিও টিকিট ভাড়ার ওপর প্রভাব ফেলেছে। বাড়তি এই খরচ সামাল দিতে বিমান সংস্থাগুলো টিকিটের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে এবং যাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত মাশুল আরোপ করছে। ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা কমে এলেও জ্বালানি তেলের চড়া দামের কারণে আগামী কিছুদিন বিমানভাড়া চড়া থাকতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের ভ্রমণ আগ্রহে ভাটা পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে থ্যাংকসগিভিং ভাড়ার এই অস্থিরতার বাইরেও গত কয়েকদিনে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বেশ কিছু বিষয় আলোচনায় উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ৪ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক চাঞ্চল্যকর ঘটনার খবর। ‘নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ’, সরকার গঠনের দাবি বিরোধী নেতার। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের ব্যাংক গভর্নরের বৈঠক, ঢাকায় কার্যালয় খোলার প্রস্তাব।