বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
“দক্ষিণ গফরগাঁও এর সতর বাড়ী গ্রামের বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা” প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ।। দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলার “বেগম রাবেয়া মেমোরিয়াল হাই স্কুল”র জয় ঢাকা সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করলো জাতীয় নাগরিক পার্টি ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক নিহত লক্ষ্মীপুরে জামায়াত ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিলেন শতাধিক নেতাকর্মী সায়মা ওয়াজেদের ডব্লিউএইচও নিয়োগ ত্রুটিপূর্ণ ছিল: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্ব রিপোর্টার পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন যারা গাজীপুরে মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় তিন শিক্ষক গ্রেপ্তার ডেনমার্কে বাড়ির বাগান খুঁড়তেই বেরিয়ে এলো হাজার বছরের পুরনো ভাইকিং রৌপ্যভান্ডার

হামের টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের জন্য নতুন ক্যাম্পেইন ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রতিবেদকের নাম

হামের টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে তাদের সুরক্ষায় বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি মাসের শেষের দিকে পূর্ণাঙ্গভাবে আরেকটি টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগের টিকাদান কার্যক্রমে কিছু শিশু বাদ পড়েছিল। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, অনেক মা সময়মতো খবর পাননি, কেউ কাজের চাপে সন্তানকে নিয়ে আসতে পারেননি, আবার কারো সন্তান স্কুলে থাকায় টিকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এভাবেই কিছু শিশু ড্রপ-আউট হয়েছে। তিনি বলেন, মূল কার্যক্রমে ১ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ৮৯ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এরপরও পূর্ণ কভারেজ নিশ্চিত না হওয়ায় এবং নতুন শিশুর সংখ্যা যুক্ত হওয়ায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার ফলে কিছু শিশুর মধ্যে হাম দেখা দিচ্ছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, মূল ক্যাম্পেইন ২০ মে শেষ হওয়ার পর ২১ মে থেকে মপ-আপ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সিলেটে লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও ৩ হাজারের বেশি শিশুকে নতুন করে টিকা দেওয়া হয়েছে। ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক চ্যালেঞ্জের কারণে বান্দরবানে টিকা পৌঁছাতে কিছুটা বেগ পেতে হলেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।

গ্রামাঞ্চলে অবৈধ চিকিৎসা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলায় সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধ ক্লিনিকগুলোতে জরিমানা ও সিলগালা করার পাশাপাশি যেসব প্রতিষ্ঠানে লেবার রুম নেই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যখন কার্যক্রমটি শেষ করলাম, তখন বুঝতে পারলাম ১ কোটি ২৫ লাখ শিশুকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য থাকলেও ১ কোটি ৮৯ লাখ শিশুকে টিকা দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে টিকা পাঠিয়েছি এবং আল্লাহর রহমতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পেরেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ