মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সম্পন্ন হলো অ্যাডউইজ ২.০ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব কারাগারে ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা: চোখের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক দাবি কর্তৃপক্ষের নাম পরিবর্তনসহ কারাগারের আধুনিকায়নে বড় উদ্যোগ: জানালেন কারা মহাপরিদর্শক শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেন পিএসসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আখাউড়ায় বিয়ের আসরে আস্ত খাসি নিয়ে বিবাদ: বিয়ে ভেঙে বরপক্ষকে বিদায় কনেপক্ষের রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ আখ্যায় বাংলাদেশের কড়া আপত্তি, তলব মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত পিএসসি চেয়ারম্যানের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তফসিল নিয়ে রিট খারিজ প্রেক্ষাপট: অবৈধ ২৫০ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দুই দিন মর্গে পড়ে ছিল কিশোরের মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি, অপহরণের নাটক সাজিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হলো

আখাউড়ায় বিয়ের আসরে আস্ত খাসি নিয়ে বিবাদ: বিয়ে ভেঙে বরপক্ষকে বিদায় কনেপক্ষের

প্রতিবেদকের নাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলাকালে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে কনের বাড়িতে বিয়ের আয়োজনে বরপক্ষের ১৫০ জনসহ দুই পরিবারের আত্মীয়স্বজনদের আপ্যায়ন করা হয়। তবে খাবারের মেনুতে ‘আস্ত খাসি’ না থাকা নিয়ে বর জুনায়েদ মিয়ার আপত্তির জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বর জুনায়েদ মিয়া কসবার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে এবং তিনি জাপানপ্রবাসী। কনের বাড়ি আখাউড়ার তোলাতলা গ্রামে, যেখানে সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার মেয়ে রাশেদা আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ের দিন ধার্য ছিল।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে বর, তাঁর ভাই ও চাচার জন্য তিনটি বড় ডালায় বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। কিন্তু সেখানে আস্ত খাসি না দেখে বর জুনায়েদ অসন্তোষ প্রকাশ করেন। কনের বাবা সফিকুল ইসলাম জানান, খাবারের বিষয়ে আগে কোনো শর্ত ছিল না এবং বিয়ের পরবর্তী অনুষ্ঠানে আস্ত খাসি খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর এ নিয়ে কনেপক্ষের সঙ্গে কথা-কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন। বরের ভাই তাকে শান্ত করার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে বর তার ভাইকে বিয়ে করতে বললে কনের বাবা এই ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বর জুনায়েদ মিয়া মঙ্গলবার সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে ঘটনার ভিন্ন এক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘খাওয়াদাওয়া শেষে মেয়েপক্ষ আমার কাছে পূর্বনির্ধারিত অ্যামাউন্টের চেয়ে ১০ গুণ অতিরিক্ত কাবিন দাবি করে। আমি ও আমার পরিবার তা দিতে অস্বীকার করলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। তারা আমাদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেয়।’ বরের এই দাবি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কনেপক্ষ অবশ্য বরের আচরণকেই বিয়ের ভাঙনের মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেছে।

ধরখার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আশিক মিয়া বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। ছেলেটা খাবার নিয়ে খারাপ আচরণসহ বেয়াদবি করেছে। এতে মেয়ের বাবা ওই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেবেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন। পরে সব জিনিসপত্রসহ বরপক্ষকে চলে যেতে বলেন।’ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে উপহারসামগ্রী ও স্বর্ণালংকারসহ বরপক্ষকে বিদায় করে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিয়ের আসরে আস্ত খাসি না থাকার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ