শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য: পরিবারের অভিযোগের মুখে স্বামী আটক তাহসিফের মৃত্যু: রিমান্ড শেষে কারাগারে বান্ধবী দিশা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম পরিবর্তন করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লিতে পলাতকদের দেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন মোহিত মালিক ফ্রান্সে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ: গ্রেপ্তার ৪৪৮ শিগগিরই জানতে পারবেন: ইরানকে ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের শর্টকাটে অর্থ উপার্জনে ভালো আইনজীবী হওয়া সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের স্ত্রী-সন্তানদের স্বজনদের জিম্মায় দিল পুলিশ

প্রতিবেদকের নাম

চাঁদপুর শহরের আখন্দ মার্কেটের এস কে জুয়েলার্সের মালিক পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের স্বর্ণালংকার ও টাকা আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাতজন গ্রাহকের ভাষ্যমতে, তাঁরা বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনীয় অর্থের বিনিময়ে স্বর্ণের চেইন, কানের দুল ও লকেটসহ নানা অলংকার পিন্টুর দোকানে বন্ধক রেখেছিলেন। পরবর্তীতে মূল টাকা পরিশোধ করে অলংকার ফেরত চাইতে গেলে পিন্টু দাস নানা টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে গত ১৯ আগস্ট রাতে নিজের বাসা ও দোকান তালাবদ্ধ করে সপরিবার আত্মগোপনে চলে যান তিনি।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের লিখিত অভিযোগ এবং বাসার মালিকের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৮ আগস্ট ভোরে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাস ও তাঁর পরিবারকে উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পিন্টু দাস প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের স্বর্ণালংকার ও ২৫ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় মো. রাসেল খান নামের এক ভুক্তভোগী বাদী হয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় দণ্ডবিধির প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের ধারায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার পিন্টু দাসকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ পিন্টু দাসের স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও হেফাজতে নিয়েছিল। তবে ঘটনার সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ না পাওয়ায়, তাঁদের পিন্টু দাসের বাবা সুনীল দাসের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে সাতজনের স্বর্ণ ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এবং সেই ভিত্তিতেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে পুলিশ আত্মসাৎ করা স্বর্ণালংকার উদ্ধারের জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে। প্রতারণার মামলায় পিন্টু দাস কারাগারে থাকলেও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাঁদের স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ