বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শক্তিশালী ডানপন্থি সরকার গঠনের ডাক নেতানিয়াহুর দেশ থেকে কবে বিদায় নেবে ভ্যাপসা গরম? গাজীপুরে পোশাকশ্রমিককে নিরাপত্তা ঘটনায় করে ছিনতাইয়ের চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রে থ্যাংকসগিভিং ভ্রমণে বিমানভাড়া বৃদ্ধি, কমছে যাত্রী সংখ্যা দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি: মোট মৃত্যু ৪০০ ছাড়াল জাপানে প্রধানমন্ত্রী তারেক-তাকাইচির বৈঠক: এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের আশা আইজিপির বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করবে: রুহুল কবির রিজভী রমজানে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের মায়ের নাম সংশোধনে দপ্তরে দপ্তরে ঘুরছেন ইয়াকুব আলী বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবায় জাপানি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা চাইলেন জুবাইদা রহমান

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সহিংসতার শঙ্কা, পুলিশের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ

প্রতিবেদকের নাম

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার আশঙ্কা করছে পুলিশ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছেন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। বুধবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মিলনায়তনে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্বাচনী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব পক্ষ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা জয়ী হতে মরিয়া থাকেন, যার ফলে সংঘাতের ঝুঁকি বেশি থাকে। আইজিপির মতে, বর্তমানে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে প্রয়োজনের তুলনায় আড়াই হাজার যানবাহন কম রয়েছে। এই রসদ সংকটের কারণে বাহিনীর স্বাভাবিক সক্ষমতা প্রায় ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাহিনীটির হাতে ১৬ হাজার ১৬৯টি যানবাহন রয়েছে। এই ঘাটতির পেছনে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের বড় ভূমিকা রয়েছে। ওই সময়ে পুলিশের ১ হাজার ৭৪টি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার মধ্যে ৪৫৫টি গাড়ি ও মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ৬২০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালে আরও ১ হাজার ৩৬৯টি যানবাহন অকেজো হয়ে পড়ে। পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানিয়েছেন, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এবং বাহিনীকে সক্ষম করে তুলতে প্রয়োজনীয় যানবাহন ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা তুলনামূলক বেশি হয়। একই পরিবারের একাধিক প্রার্থী থাকা এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে গ্রাম ও পাড়ায় মারামারি ও সংঘাতের আশঙ্কা থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচনের সময় সিসিটিভি ক্যামেরা, বডি-ওর্ন ক্যামেরা এবং ডিজিটাল ও অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান।

রাজারবাগের এই প্রশিক্ষণে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি), সব মহানগর পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি, ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে দেখা গেছে, পুলিশের যে স্বাভাবিক সক্ষমতা ছিল, তার ২০ শতাংশ কমে গেছে রসদসামগ্রীর অভাবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁদের ভাষ্যমতে, সারা দেশে পুলিশের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যত যানবাহন দরকার, তার চেয়ে আড়াই হাজার কম রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এখানে সরকারি দল, বিরোধী দল—সবাই তাদের প্রার্থীকে জয়ী করতে চাইবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ নিয়ে এলাকায়, গ্রামে গ্রামে, পাড়ায় মারামারি ও সংঘাত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ