বিমানবন্দরের দুই কর্মকর্তার ওপর চড়াও হওয়া এবং নির্বাহী পরিচালককে মারধরের প্রচেষ্টার অভিযোগে আখতারুজ্জামান নামে এক ব্যক্তিকে আটকের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ)। শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার যেখানে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিচ্ছে, সেখানে জামায়াতে ইসলামী অপরাধীদের সুরক্ষা বা আশকারা দিচ্ছে।
সুজাউদ্দৌলা জানান, জুলাইয়ের আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের রাজাকার আখ্যায়িত করেছিলেন আখতারুজ্জামান। শেখ হাসিনার পতনের পর তিনি জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আখতারুজ্জামান ডিউটিরত কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তুলে ফৌজদারি অপরাধ করেছেন, যার প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের ও তাকে আটক করা হয়েছে। অথচ জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এখন ওই ব্যক্তির পক্ষে সাফাই গাইছেন এবং জামায়াত আমিরের বিবৃতি থেকে এটি স্পষ্ট যে তারা ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে চাচ্ছেন। জামায়াতের সমালোচনা করে সুজাউদ্দৌলা বলেন, জামাতের মেশিনে গেলে সব জায়েজ হয়ে যায়। পোস্টে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা পালানোর সময় তাদের ‘মাশতাতো ভাই’ জামায়াতের কাছে এই মেশিন দিয়ে গেছেন। পোস্টে তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনকারীদের রাজাকার বানিয়েছিলেন স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সঙ্গে আরেকজন কথিত নেতা আখতারুজ্জামান।
তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অপরাধী ও দুর্নীতিবাজরা ফেরেশতা হয়ে বের হচ্ছে। আগে যেমন আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যেত, এখন জামায়াতের মেশিনেও ঠিক একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন, কেউ তাদের সঙ্গে থাকলে বা তাদের ছত্রছায়ায় থাকলে পীরসাব আর বিরোধিতা করলে চাঁদাবাজ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। বিরুদ্ধে গেলেই চাঁদাবাজ আর সঙ্গে থাকলেই পীরসাব।