খুলনার তেরখাদায় ঘন ঘন লোডশেডিং ও অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম অসন্তোষে ফুঁসছেন গ্রাহকরা। দিন-রাত মিলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। এর সঙ্গে মাস শেষে বাড়তি বিলের চাপ যোগ হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র গরমের মধ্যে খুলনার তেরখাদা উপজেলার ও বিভিন্ন ইউনিয়নে দিনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা এবং রাতে ৩ থেকে ৪ দফায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, হাসপাতালের রোগী ও দোকানপাটের ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। আইপিএস ও জেনারেটর চালাতে গিয়ে বাড়তি ব্যয়ের বোঝা বইতে হচ্ছে অনেককে।
গ্রাহকদের অভিযোগ,বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকা সত্ত্বেও চলতি মাসে বিল এসেছে অস্বাভাবিক বেশি। অনেক পরিবারের বিল আগের তুলনায় ১৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ‘বিদ্যুৎ পাই না, অথচ বিল ঠিকই বেশি আসে’ – এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাম প্রকাশে জাহিদুল ইসলাম একাধিক গ্রাহক।
তেরখাদা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় দোকান খুলে বসে থাকতে হয়। কাস্টমার কম, বিক্রি নাই। মাস শেষে আবার বিল বেশি। আমরা যাব কোথায়?
জানান, জাতীয় গ্রিডে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘গরমের কারণে ফ্যান, ফ্রিজ ও মোটরের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ইউনিট বেশি উঠছে। কারো বিলে গরমিল মনে হলে অফিসে লিখিত অভিযোগ দিলে তা যাচাই করে সমাধান করা হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে লোডশেডিং কমিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং স্বচ্ছভাবে বিল নিরীক্ষার ব্যবস্থা করা হোক।