রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

গণতান্ত্রিক উপায়েই মোদি সরকারের পতন ঘটাতে চায় বিরোধীরা

প্রতিবেদকের নাম

ভারতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের পরিবর্তন চেয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, তারা প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ বা নেপালের মতো কোনো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এই পরিবর্তন চান না। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এক গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, উত্তর প্রদেশের নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পথেই তারা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন। তাদের মূল লক্ষ্য হলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বর্তমান সরকারের পতন নিশ্চিত করা। আমরা এই দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তাদের পতন ঘটাব।’। আপনিই তো প্রথম এমন উদ্যোগ শুরু করেছিলেন। বিক্ষোভে যোগ দেওয়ায় ইমরানকে দ্রুত দেশ ছাড়ার নির্দেশ।

ভারতের সঙ্গে অন্যান্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির তুলনা টেনে তিনি দাবি করেন, তাদের পেছনে আম্বেদকর, গান্ধী ও ভগৎ সিংয়ের মতো আদর্শ রয়েছে। এছাড়া ভারতের সংবিধান ও জনগণের ভোটের অধিকারকে তারা বড় হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ভারত নেপাল বা বাংলাদেশ নয়। দিল্লিতে প্রস্তাবিত ‘তিরঙ্গা মার্চ’-এর আগে ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক কর্মীদের আটকের ঘটনায় এই মন্তব্য করেন তিনি। ভারতের তরুণদের আন্দোলন রূপ নিচ্ছে সরকার পতনের এক দফায়। পদত্যাগ করলেন ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী।

দিল্লির কনট প্লেসে আয়োজিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে তিনি সরব হয়েছেন। এই অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) নেত্রী নেহা বোরাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার সমালোচনা করে প্রকাশ রাজ বলেন, ছাত্রনেতাদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। তিনি সরাসরি নরেন্দ্র মোদির কাছে প্রশ্ন রাখেন যে, সরকার কেন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আটক করছে, যেখানে তারা অস্ত্রহীন এবং মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ মেনে সমাবেশ করছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে প্রকাশ রাজ প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনার হার ঘর তিরঙ্গার কী হলো। আবারও দিল্লি পুলিশের হাতে আটক অভিজিৎ দিপকে। বাংলাদেশিদের জন্য বড় সুখবর দিল থাইল্যান্ড।

আন্দোলনে বিদেশি অর্থায়ন ও ভারতকে অস্থিতিশীল করার সরকারি অভিযোগের বিষয়ে প্রকাশ রাজ কোনো প্রমাণ আছে কি না তা জানতে চেয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শুধুমাত্র মৌখিক অভিযোগ দিয়ে কিছু প্রমাণ করা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য যে, এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই সম্প্রতি ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষে ১৬৮ জন হুতি সদস্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে দেশে জিয়া ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে লেখা তিনটি বই সব হাসপাতালে সংগ্রহের সরকারি নির্দেশনা এবং মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরসহ নানা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় ঘটনার রেশ কাটছে না। এছাড়াও থাইল্যান্ডের ভিসা নীতি পরিবর্তন এবং জয়পুরে এয়ার ইন্ডিয়ার জরুরি অবতরণের মতো সাম্প্রতিক ঘটনাবলিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মাঝ আকাশে হাইজ্যাকের আতঙ্ক, জয়পুরে জরুরি অবতরণ এয়ার ইন্ডিয়ার। মসজিদ ধ্বংস করতে এসে মার্কিন সেনার ইসলাম গ্রহণ। মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর: তথ্য চেয়ে সৌদিকে চিঠি বাংলাদেশের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ