শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন

জানুয়ারিতে শুরু হবে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

প্রতিবেদকের নাম

আগামী ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান সময় কমিয়ে আনা এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, নির্ধারিত এই সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং সময়সূচি পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করতে সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পাঠ্যসূচি শেষ করে নির্বাচনী পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছে। ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বরের মধ্যে আয়োজন করতে হবে এবং ১৮ নভেম্বরের মধ্যে এর ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। এই সময়সীমা মেনে চলার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনী পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীরা প্রায় দুই মাসের মতো সময় পাবে। যদিও এটি গতানুগতিক আড়াই থেকে তিন মাসের প্রস্তুতির তুলনায় কিছুটা কম, তবুও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আশাবাদী। অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি সঠিক পরিকল্পনায় পাঠ্যসূচি শেষ করে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে পারে, তবে এই সময়ের মধ্যেই ভালো প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। তিনি সব প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠ্যসূচি শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

করোনা মহামারির পরবর্তী সময়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার স্বাভাবিক সময়সূচি ব্যাহত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা ২১ এপ্রিল এবং এইচএসসি পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়েছিল। এর ফলে প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন থেকে কয়েক মাস সময় হারিয়ে যাচ্ছে, যা বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য সেশনজটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরও বলেন, শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম পুনরায় সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে পরীক্ষার সময়সূচি স্বাভাবিক করা অত্যন্ত জরুরি। ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়ার উদ্যোগটি সেই দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের অপচয় রোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ