রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে পরিত্যক্ত বিএমডিএর গভীর গর্তে পড়ে মহিষের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণের দাবি জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী’র উদ্বোধন করল ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ ডিবিএইচ-এর শরীয়াহ সুপারভাইজরী কমিটির ১০ম সভা অনুষ্ঠিত গোদাগাড়ীতে বাস-ভুটভুটি সংঘর্ষে চালক নিহত, বাসের চালক গুরুতর আহত বোদায় ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত-১ ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: আত্রাইয়ে ২৫ হাজার শিশু পাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল নাটোরে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার ফ্যাসিবাদের দোসর সৌমেন সাহা বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, নেতাকর্মীদের ক্ষোভ ছাতকে গোবিন্দগঞ্জ অটোরিকশা-টেম্পু ও সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত

দেশজুড়ে শুরু জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন

নিজস্ব প্রতি‌বেদক ঃ

দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন-২০২৬ রোববার (২৮ জুন) শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৩৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নে সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটসহ প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্ধারিত দিনে কোনো শিশু ক্যাপসুল গ্রহণ করতে না পারলে পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তা গ্রহণের সুযোগ থাকবে। এছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় আরও চার দিন বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

বাংলাদেশে শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে ১৯৭৩ সালে প্রথম ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কর্মসূচি চালু হয়, যা তখন জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯৫ সালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে এটি যুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সালে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন নামে পৃথক কর্মসূচি হিসেবে চালু করা হয়।

২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত চলমান ছিল। এরপর এটি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও ২০২৬ সালে পুনরায় জাতীয় কর্মসূচি হিসেবে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এর বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ