মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি বাড়ল টানা পাঁচ দিন সম্পর্কের দশ বছর পর বিচ্ছেদের পথে প্রীতম ও শেহতাজ নিটার টেক্সটাইল ফেস্টে কনসার্ট ও বিনোদন পার্টনার ‘ওরুভা বাই প্রতিভা’ ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশি ভেবে গুলি: চিকিৎসাধীন দুই ব্যক্তি ২৬ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ড্রোন হামলা মোকাবিলায় পাকিস্তানের অভিনব কৌশল: মাছ ধরার জাল আইপিইউর এশিয়া–প্যাসিফিক গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ২০২৭ সালে রোজা ৮ ফেব্রুয়ারি ও ঈদ ১০ মার্চ দেশের ৪০ লাখ প্রতিষ্ঠানে চালু বাংলা কিউআর: গভর্নর

নারীর কার্যকর অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র টেকসই নয়: সিইসি

প্রতিবেদকের নাম

দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে গ্রহণযোগ্য, টেকসই ও সুসংহত করতে নারী জনগোষ্ঠীর কার্যকর ও অর্থবহ অংশগ্রহণ অপরিহার্য। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন মনে করেন, মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারীকে বাদ দিয়ে গণতন্ত্রের সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। সোমবার (৫ অক্টোবর) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দেশের প্রতিটি স্তরে নারীর জোরালো উপস্থিতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নির্বাচন কমিশন নারীদের সমান সুযোগ ও পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে সিইসি জানান, আইন ও বিধিমালা প্রণয়নই যথেষ্ট নয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহ বিদ্যমান আইনি কাঠামোতে নারীর অংশগ্রহণের বিধান থাকলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে না। এর পেছনে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজনের প্রতিশ্রুতির অভাবকে দায়ী করে তিনি বলেন, কেবল নির্বাচন কমিশনের একক চেষ্টায় এটি সম্ভব নয়; সমাজের বিভিন্ন পক্ষের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এখানে জরুরি। কিন্তু বাস্তবে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না। এর অন্যতম কারণ, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন আইন মেনে চলার বিষয়ে যথেষ্ট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নন।

নারীদের অংশগ্রহণের কৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপট ও মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন বলে মত দেন সিইসি। তিনি বলেন, দেশের বাস্তবতা ও ধর্মীয়-সামাজিক বিশ্বাসকে উপেক্ষা করে কোনো কৌশল গ্রহণ করলে তা ফলপ্রসূ হবে না। এছাড়া, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জনপ্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও নারীদের নেতৃত্ব বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলোচনার সময় সিইসি জানান, স্থানীয় নির্বাচনের প্রার্থীরা সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় এবারের নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রার্থীরা নিজেদের পক্ষে ভোট নিশ্চিত করতে ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন, যা ব্যাপক ভোটার উপস্থিতির পথ তৈরি করবে। অতীতের নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতাও এ ধরনের প্রবণতার ইঙ্গিত দেয় বলে জানান সিইসি।

তবে নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের কম অংশগ্রহণকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি। ঠাকুরগাঁওয়ের উদাহরণ টেনে সিইসি জানান, অনেক এলাকায় পুরুষ ভোটারদের চেয়ে নারী ভোটারের সংখ্যা বেশি থাকলেও প্রার্থী হিসেবে তাদের উপস্থিতি খুবই নগণ্য। গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে শুধু ভোট প্রদানে নয়, বরং প্রার্থী হিসেবেও নারীদের এগিয়ে আসতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ