শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশে হামের প্রকোপ অব্যাহত, একদিনে আরও ৪ জনের মৃত্যু পিপলস ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশনে ৪৮০ জনের বিশাল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শনিবার ঢাকায় বিএনপির কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে তারেক রহমান রমজান আসার আগেই ছোলার দাম কেজিতে বাড়ল ১৫ টাকা শিশুদের মেধায় সমৃদ্ধ হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ইসরাইলের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে গাদি আইজেনকটকে ৬৭ এমপির সমর্থন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ে ইতিহাস গড়লেন হাসান মাহমুদ হরিরামপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ব্যাগ সম্পদ সংক্রান্ত ঘটনায় বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ, আবেদন শুরু আজ নতুন তিনটি সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের

রমজান আসার আগেই ছোলার দাম কেজিতে বাড়ল ১৫ টাকা

প্রতিবেদকের নাম

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে এখনো কয়েক মাস বাকি থাকলেও ঢাকার বাজারে ছোলা ও ছোলার ডালের দাম বাড়তে শুরু করেছে। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্য দুটির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, আগের সপ্তাহে ১০০ টাকার মধ্যে থাকা প্রতি কেজি ছোলা এখন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। পাশাপাশি ছোলার ডালের দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা ছুঁয়েছে। গত সপ্তাহেও যা ১০০ টাকার মধ্যে ছিল।

খুচরা বিক্রেতারা এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে পাইকারি বাজারের দর বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন। মালিবাগ এলাকার ভাই ভাই স্টোরের মালিক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গত সপ্তাহে তারা যে ছোলা ৯২ থেকে ৯৫ টাকা কেজি দরে পাইকারি কিনেছিলেন, চলতি সপ্তাহে তা ১০২ থেকে ১০৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। রমজানের আগে পাইকারি আড়তদাররা দাম বাড়িয়ে দেওয়ার প্রভাব সরাসরি খুচরা বাজারে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বাজারে কেনাকাটা করতে আসা জামিল হোসেন নামে এক বেসরকারি চাকরিজীবী অভিযোগ করেন, এটি পুরোপুরি বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজি। প্রতিবছরই রমজানের অজুহাতে কয়েক মাস আগেই পণ্যর দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা হয়।

ছোলার বাজারে এমন উত্তাপ থাকলেও সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে ডিম ও শীতকালীন সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। বাজারে নতুন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশিরভাগ সবজি এখন ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম এখনো ৬০ থেকে ৮০ টাকা আর বেগুন, শসা ও গাজরের দাম চড়া রয়েছে। আগের সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া পেঁয়াজের দাম সামান্য কমে এখন ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় নেমেছে। তবে আদা ও রসুনের বাজারে এখনো কোনো স্বস্তি নেই; বাজারে রসুন ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা এবং আদা ১৪০ থেকে ১৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ভোজ্যতেল ও অন্যান্য মুদি পণ্যের ক্ষেত্রে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট এখনো বজায় রয়েছে। বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ২০৫ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা এবং গুণমান ভেদে মসুর ডাল ৯০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, পাইকারি বাজারের আশপাশের এলাকায় ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমে বর্তমানে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

বাজারগুলোতে মুরগি ও মাছের দামে বড় কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারের চিত্রে দেখা গেছে, পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজিতে। মাঝারি ও বড় আকারের রুই ও কাতলা মাছের কেজি পড়ছে ৩৬০ থেকে ৫৫০ টাকা। এছাড়া আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৮০০ থেকে ১,৪০০ টাকা পর্যন্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ