বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদেশ থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে সরকার।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সম্প্রতি বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে ছয় কার্গো এলএনজি কেনার দুটি আলাদা প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে শনিবার অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ৫১তম ভার্চুয়াল সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডকে সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথম প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫-এর ৯৯(২) বিধি অনুসরণ করে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড থেকে পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম জাপান-কোরিয়া মার্কার বা জেকেএম সূচকের চেয়ে শূন্য দশমিক ১৭ মার্কিন ডলার কম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে উভয় পক্ষের সম্মতিতে বাড়তি কার্গো কেনার সুযোগও রাখা হয়েছে এই প্রস্তাবে। একই সঙ্গে উভয় পক্ষের সম্মতিতে প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কার্গো কেনার অনুমোদনও চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম হবে জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) মূল্য থেকে ০.১৭ মার্কিন ডলার কম।
দ্বিতীয় প্রস্তাবটি এসেছে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে।
এই চুক্তির অধীনে বাড়তি এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে, যা আগামী ২০ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখের মধ্যে সরবরাহের সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
কাতার থেকে সংগৃহীত এই কার্গোর প্রতি এমএমবিটিইউ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে জেকেএম মূল্যের চেয়ে শূন্য দশমিক ১০ মার্কিন ডলার কম।
কমিটির সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এই দুই প্রস্তাব দ্রুত বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।