মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবায় জাপানি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা চাইলেন জুবাইদা রহমান জাহেদ উর রহমান: আইজিপির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক গণতন্ত্রের সংগ্রামে যুবদল ইস্পাতকঠিন অগ্রবাহিনী: রিজভী পেছাল এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ কর্মীদের বিএমডব্লিউ উপহার দিলেন চীনা রেস্তোরাঁ মালিক বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের সীতাকুণ্ডে লরির চাপায় নিহত ৫, হাসপাতালে ৪ যাত্রী তিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নতুন এমডি নিয়োগ দিলো সরকার ঢাকা-চট্টগ্রামের জাতীয় গ্রিডে বড় বিদ্যুৎ বিপর্যয়

প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রতিবেদকের নাম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভিশন বাস্তবায়ন ঠেকাতে এক শ্রেণির ‘গুপ্তরা’ ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভিশন আছে, তিনি বলেছেন—আই হ্যাভ এ প্ল্যান।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সরকারের এই পরিকল্পনা যেন সফল না হয়, সেজন্য রাজনৈতিক নামধারী কিছু মহল বিভিন্নভাবে তৎপর রয়েছে। তবে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্রই উন্নয়নের গতি রোধ করতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। যারা এরইমধ্যে গুপ্ত বলে আখ্যায়িত হয়েছে, তারা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কোনো ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না।’।

সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়ার যে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেছেন প্রশাসক শফিকুল ইসলাম। মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, জনগণের সক্রিয় সহযোগিতার ফলেই দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে দখল হয়ে থাকা ফুটপাত মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের সচেতনতার কারণে সেখানে আর অবৈধ হকারদের জায়গা হচ্ছে না, যা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ উদ্যোগের সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়ে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আপনারা সঙ্গে থাকার কারণেই মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে দীর্ঘ ২৫ বছরের দখলকৃত ফুটপাত আমরা দখলমুক্ত করেছি। মানুষের মধ্যে এখন সচেতনতা বেড়েছে, এটা আমাদের ধরে রাখতে হবে।’।

নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, নগরীর রাস্তাঘাট ও ফুটপাত জনগণের ট্যাক্সের টাকায় নির্মিত। জননিরাপত্তা ও চলাচলের সুবিধার্থে পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। মিরপুর ১০ নম্বরে যেভাবে দখলমুক্তকরণ কাজে মানুষ সমর্থন দিয়েছে, ঠিক একইভাবে সরকারের চলমান সকল জনহিতকর ও উন্নয়নমূলক কাজেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ