হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে শুনানি শেষে বিচারক এই আদেশ প্রদান করেন। শাহজালালে ৪.৫ কেজি স্বর্ণসহ মালয়েশিয়ান নাগরিক আটক।
এর আগে, গত ১ অক্টোবর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রোববার দুপুর ১টার দিকে রিমান্ড শেষ হওয়ার পর তাকে প্রথমে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাকে আদালতের এজলাসে হাজির করা হয়। মদিনায় বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় হুথিদের হামলায় বাংলাদেশের নিন্দা। আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর।
তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতের কাছে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন যে, রিমান্ডের সময় জিজ্ঞাসাবাদে আখতারুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। মামলাটির তদন্ত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং যথাযথ যাচাই-বাছাই ও নথিপত্র পর্যালোচনার স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ৬ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস।
উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক ও আবেদন পর্যালোচনার পর আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিমানবন্দরে ট্রলি ও লাগেজ নিয়ে সৃষ্ট সংকটকে কেন্দ্র করে হওয়া এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দায়িত্বরত কর্মীদের সঙ্গে হাতাহাতি ও বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি নিয়ে তদন্তকারী দল জোর তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার বিস্তারিত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য তাকে কারাগারে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।