ঘুমিয়ে টাকা আয় করার বিষয়টি শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও জাপানে এবার এমন এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। টোকিওর একটি ম্যাট্রেস কোম্পানি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে সেরা ঘুম প্রদর্শনকারী প্রতিযোগী ২২ লাখ ২০ হাজার ইয়েন বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা জিতে নিতে পারেন। তবে এই পুরস্কার পাওয়া সহজ নয়; প্রতিযোগীদের ৯০ মিনিটের সেশনে মানসম্মত, গভীর ও স্থিতিশীল ঘুমে যাওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। ৯০ মিনিটের পাওয়ার ন্যাপ বা স্বল্প সময়ের ঘুমের এই সেশনে আয়োজকেরা প্রতিযোগীদের ঘুমের গভীরতা, সামগ্রিক মান, স্থিতিশীলতা এবং ঘুমিয়ে পড়তে কত সময় লাগছে—এসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করবেন।
প্রতিযোগিতায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগী ইচ্ছাকৃতভাবে সারা রাত জেগে থেকে বা ঘুমের ওষুধ সেবন করে সুবিধা নিতে পারবেন না। যারা এমন কোনো কৌশল অবলম্বন করবেন, তারা প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়বেন। প্রতিটি সেশনের সংগৃহীত তথ্য চিকিৎসক ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা মূল্যায়ন করে বিজয়ী নির্ধারণ করবেন। একবার ভাবুন তো, ঘুমিয়েই হয়ে যেতে পারবেন লাখপতি। প্রতিযোগীরাও শুধু এসে শুয়ে পড়লেই ঘুমানো শুরু করতে পারবেন না। বিষয়টি আরও অনিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিযোগীকে এলোমেলোভাবে একটি ‘স্লিপ আইটেম’ দেয়া হবে, যা তাদের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে কে সবচেয়ে ভালো করেছেন।
আয়োজকদের মতে, জাপানে মানুষের ঘুমের গড় সময় বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় কম। তাই ঘুমের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত মার্চ মাসে চীনেও পর্যাপ্ত বিশ্রামের গুরুত্ব প্রচার করতে খোলা আকাশের নিচে একই ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার মধ্যে রয়েছে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই পাকিস্তানি নাগরিকের মৃত্যু, বিভিন্ন দেশে হজের আবেদনের পর দীর্ঘ ১৪ বছরের অপেক্ষার বাস্তবতা, এবং আফগানিস্তানে বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু মানুষের হতাহতের ঘটনা। পাশাপাশি, জাপানে ঘরজামাই হিসেবে বাংলাদেশিদের আবেদনের সুযোগ, বিভিন্ন এলাকায় বাস ভাড়া নিয়ে সংঘর্ষ, এবং ঢাকায় হামের প্রাদুর্ভাবে ৮ জনের মৃত্যু সংক্রান্ত খবরগুলোও আলোচনায় রয়েছে।