রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে ১০ অক্টোবর মহাসমাবেশ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর আইনি প্রক্রিয়া চলছে: ভারতীয় হাইকমিশনার ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ১৬০৮ শতবর্ষে গ্রেটা গার্বোর ‘দ্য টেম্পট্রেস’: এক সিনেমার নেপথ্য ট্র্যাজেডি জাপানে ঘুমের প্রতিযোগিতায় জিতে নিতে পারেন ১৭ লাখ টাকা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ইন্টারভিউতে মিথ্যা তথ্য দিলে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার কিশোরগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইলন মাস্কের সাথে বিচ্ছেদ শিভন জিলিসের সেনাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান অপরাধীদের আশ্রয় দিচ্ছে জামায়াত, দাবি সুজাউদ্দৌলার

রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা

প্রতিবেদকের নাম

রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারে সবজির দাম এখনো চড়া। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের আগাম সবজি শিম ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে কম দামে পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের মতো সাধারণ সবজির জন্য ক্রেতাকে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ১২০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হলেও দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ঠেকেছে।

বাজারে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং কচুরমুখি ৮০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। তবে সবজির বাজারে কাঁচা মরিচের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সরবরাহ বাড়ায় কয়েক সপ্তাহ আগে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া মরিচ এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে। ক্রেতা ইদ্রিস মিয়ার মতে, অন্যান্য সবজির দাম এখনও নাগালের বাইরে। বাজারের ক্রেতা ইদ্রিস মিয়া বলেন, বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৫০ টাকা এবং এক পোয়া মরিচ ৪০ টাকায় কিনেছেন।

মাছ ও মাংসের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও উচ্চমূল্যে স্থির রয়েছে; প্রতি ডজন ১৫৫ টাকা এবং হালি ৫৫ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। বিক্রেতা মাসুম জানান, ফার্মের মুরগির ডিমের দাম আগের মতোই রয়েছে। একই দিনে সকাল ও বিকেলেও দামে পরিবর্তন হতে পারে।

মাছের বাজার দরও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা সুলতান আহমদ। তিনি জানান, সরবরাহ ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে দামের ওঠানামা হয়। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা এবং রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং চাষের কই ৩০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। পোয়া ২৬০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি রুইয়ের দাম ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছের দাম কেজিতে হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। মাছের আকার ও মানভেদে বাজারভেদে ১০ থেকে ২০ টাকার পার্থক্য দেখা যায়। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেইজ